
মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈমঃ প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের ন্যায্য মূল্য ও ৮দফা সুপারিশের ভিত্তিতে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন উদ্যোগে প্রান্তিক পোল্ট্রিখামারি ডিলারদের সম্মানিত স্বার্থরক্ষা -প্রান্তিক পোল্ট্রিখাত,কর্পোরেট দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রান্তিক খামারিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে এই খাত কে রক্ষা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) চাটখিল উপজেলা শাখার সভাপতি হারিছ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সভাপতি সুমন হাওলাদার।
প্রান্তিক খামারী ও ডিলার ইউসুফ হোসেন শিমুলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাটখিল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আনিছ আহমেদ হানিফ, বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ।
আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রিয়াদ, বিপিএ চাটখিল শাখার সিনিয়র উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ, ফারুক হাওলাদার,
সাংগঠনিক সম্পাদক-মাসুদ হোসেন,
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রিজওয়ান,প্রান্তিক খামারী আলমগীর হোসেন, মামুন হোসেন, ইসমাইল হোসেন, সোলেমান হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুমন হাওলাদার বলেন-এই লড়াই আপনার আমার এই লড়াই জীবিকার, এই লড়াই দেশের জন্য। খামারি ও ডিলার এই দুই চাকার উপর ভর চলছে দেশের পোল্ট্রি খাত, তাঁদের রক্ষা করাই খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতি রক্ষা হবে। বিপিএ’র সভাপতি বলেন প্রান্তিক খামারী ও ডিলারদের স্বার্থরক্ষায়, প্রান্তিক পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে আমাদের অঙ্গীকার। বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্প আজ এক ভয়াবহ সংকটে। একদিকে কর্পোরেট পুঁজির আগ্রাসন, অন্যদিকে বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে প্রান্তিক খামারী ও ডিলাররা দিশাহারা। লাখো খামার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাজার হাজার ডিলার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।এই অবস্থা চলতে পারে না।
তিনি আরো বলেন খামারী ও ডিলার এই দুই চাকার উপর ভর করেই চলে দেশের পোল্ট্রি খাত। তাদের রক্ষা করাই খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে রক্ষা করা।
বক্তব্যে প্রান্তিক খামারীরা ৮দফা দাবি করা হয়। তা হলো ১/কর্পোরেট কোম্পানীগুলোর কন্টাক্ট ফার্মিং নিষিদ্ধ করতে হবে, এতে স্বাধীন খামারীরা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।২/পোল্ট্রি ফিডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে।৩/ডে-ওল্ড চিকেন(DOC) বা বাচ্চার দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ৪/ওষুধের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৫/ খামারী দের উৎপাদিত ডিম মুরগির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। ৬/খামারীদের উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করণের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করতে হবে। ৭/ ডিলারদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ৮/প্রান্তিক খামারী ও ডিলারদের জন্য সরকারি ভুর্তকি সহজ শর্তে ঋণ ও খামার উন্নয়ন প্রকল্প চালু করতে হবে।
Reporter Name 








