7:57 am, Monday, 2 November 2026

রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি ও মরুকরণ তৈরি করছে

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:17:06 pm, Saturday, 28 December 2024
  • 93 Time View

মোঃ শামীম হোসেন, খুলনা : সুন্দরবন ও পশুর নদী বিনাশী রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল, নিরাপদ পানি ও টেকসই জীবিকার দাবীতে জনসমাবেশ আয়োজন করেছে পরিবেশবাদি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। শুক্রবার বিকাল ৩ টায় আন্তর্জাতি ঘষিয়াখালী চ্যানেল পাড়ে এর আয়োজন করে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার। এতে প্রধান অতিথি ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী ও শরীফ জামিল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীর দূষণে জলজপ্রাণী মারা যাচ্ছে। পশুর নদীতে বিষাক্ত পারদের মাত্রা এখন অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে দশগুন বেশি। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনের জন্য বড়ো হুমকি। তাই এটি বন্ধ করে দিয়ে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ঘটাতে হবে। ইতিমধ্যে সরকার পলিথিন এবং প্লাস্টিক দূষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব নবায়যোগ্য জ্বালানি বিকাশে আগ্রহী।

তারা আরো বলেন ২০১০ সালের আগে পশুর নদীতে ১ লিটার পানিতে মাছের ডিমের সংখ্যা ছিলো যেখানে ৬ হাজারের উপরে, সেখানে এখন ৩ হাজারেরও কম পাওয়া যায়। পশুর নদীর উভয় তীরে ভাঙনের ফলে দাকোপ ও মোংলা উপজেলার বাণীশান্তা, চিলা এবং চাঁদপাই ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পশুর নদী দূষণের মাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে চলেছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের ফলে পরিস্থিতি লক্ষণীয়ভাবে খারাপ হয়েছে। জনসমাবেশে বনজীবি-জেলে-বাওয়ালী-মৌয়ালী-নারীসহ কয়েক হাজার জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্তু সুন্দরবন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি ও মরুকরণ তৈরি করছে

Update Time : 12:17:06 pm, Saturday, 28 December 2024

মোঃ শামীম হোসেন, খুলনা : সুন্দরবন ও পশুর নদী বিনাশী রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল, নিরাপদ পানি ও টেকসই জীবিকার দাবীতে জনসমাবেশ আয়োজন করেছে পরিবেশবাদি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। শুক্রবার বিকাল ৩ টায় আন্তর্জাতি ঘষিয়াখালী চ্যানেল পাড়ে এর আয়োজন করে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার। এতে প্রধান অতিথি ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী ও শরীফ জামিল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীর দূষণে জলজপ্রাণী মারা যাচ্ছে। পশুর নদীতে বিষাক্ত পারদের মাত্রা এখন অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে দশগুন বেশি। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনের জন্য বড়ো হুমকি। তাই এটি বন্ধ করে দিয়ে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ঘটাতে হবে। ইতিমধ্যে সরকার পলিথিন এবং প্লাস্টিক দূষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব নবায়যোগ্য জ্বালানি বিকাশে আগ্রহী।

তারা আরো বলেন ২০১০ সালের আগে পশুর নদীতে ১ লিটার পানিতে মাছের ডিমের সংখ্যা ছিলো যেখানে ৬ হাজারের উপরে, সেখানে এখন ৩ হাজারেরও কম পাওয়া যায়। পশুর নদীর উভয় তীরে ভাঙনের ফলে দাকোপ ও মোংলা উপজেলার বাণীশান্তা, চিলা এবং চাঁদপাই ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পশুর নদী দূষণের মাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে চলেছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের ফলে পরিস্থিতি লক্ষণীয়ভাবে খারাপ হয়েছে। জনসমাবেশে বনজীবি-জেলে-বাওয়ালী-মৌয়ালী-নারীসহ কয়েক হাজার জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্তু সুন্দরবন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী উপস্থিত ছিলেন।