
মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম : নোয়াখালীর চাটখিল থানার ঐতিহ্যবাহী মল্লিকার দিঘীরপাড় ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানকে অপসারণের দাবীতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গত এক সপ্তাহ ধরে আন্দোলনে করে আসছে। কোন ধরনের প্রতিকার না পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্ররা মানববন্ধন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করে।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্ররা অভিযোগ করে- অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান ছিল স্বৈরাচারী সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগী। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ২০০৯ সালে মাদ্রাসার আরেক প্রিয় শিক্ষক মাওলানা ইয়াসিন আহমদকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগের যোগসাজশে চাটখিল থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার বাদী ছিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মাওলানা আব্দুল মান্নান।
ছাত্ররা অভিযোগ আরো বলেন- বিগত ২০১৯ সালে ইসমাইল রাফি নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে ছাত্রলীগ তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। ঐ ছাত্রকে তুলে নিয়ে যেতে সাহায্য করে শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান। তাকে মারার জন্য হুমায়ূন কবির দেওয়ানসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখে।
এ ছাড়া বিভিন্ন সময় নানা রকম অনিয়ম করার জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যাবহার, ছাত্র ছাত্রীদের অকারনে রাজাকার গালি দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
ছাত্ররা বলে যে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও তার দোসররা এখনও স্বপদে বহাল রয়ে গেছে। দেশে স্থিতিশীলতা আনতে হলে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটা যায়গায় ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারের দোসরদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য তারা ছাত্র শিক্ষক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানের অবসারন দাবী করে। সমস্যা সমাধানের জন্য তারা মাদ্রাসা প্রধান ও স্থানীয় প্রশাসন (ইউএনও) বরাবর ১১ দফা দাবী সংবলিত একটি স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র প্রদান করে।
Reporter Name 








