8:50 am, Monday, 2 November 2026

আবু সাঈদ হত্যা : রংপুরে ২ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : 10:11:49 am, Saturday, 3 August 2024
  • 67 Time View

রংপুর ব্যুরো প্রধান: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বরখাস্তকৃত দুইজন হলেন, তাজহাট থানার এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।

এর আগে, সাঈদের মৃত্যু বিক্ষোভকারীদের ছোড়া গুলি ও ইট-পাটকেলের আঘাতে হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ। মামলার এজাহারে এ তথ্য দেয় তারা। তবে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

তাতে কোনো পুলিশ সদস্যের দায় পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর এজন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে বলছে তারা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাঈদ। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আবু সাঈদ (২৫) রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বাদশ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছোট ছেলে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

আবু সাঈদ হত্যা : রংপুরে ২ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

Update Time : 10:11:49 am, Saturday, 3 August 2024

রংপুর ব্যুরো প্রধান: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বরখাস্তকৃত দুইজন হলেন, তাজহাট থানার এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।

এর আগে, সাঈদের মৃত্যু বিক্ষোভকারীদের ছোড়া গুলি ও ইট-পাটকেলের আঘাতে হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ। মামলার এজাহারে এ তথ্য দেয় তারা। তবে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

তাতে কোনো পুলিশ সদস্যের দায় পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর এজন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে বলছে তারা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাঈদ। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আবু সাঈদ (২৫) রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বাদশ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছোট ছেলে।