
রাফি চৌধুরী,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম – ৪ পাহাড়তলী,আকবরশাহ (আংশিক) সীতাকুণ্ড উপজেলা আসনে এবার সংসদ সদস্য প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ৮ ( আট) জন,ছয়জন প্রথম বাছাইয়ে হলেও দুইজন হাইকোর্টের রায়ে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।তবে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন নৌকার প্রার্থী। জাপার লাঙ্গল,ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ সীমিত আকারে ও সতন্তর্র প্রার্থী মোঃ ইমরান নামমাত্র গন সংযোগ করছেন,বাকি চারজনই নির্বাচনী কার্যক্রম নেই বললেও চলে।
সীতাকুণ্ড – ৪ আসনে প্রার্থীরা হলেন এস এম আল মামুন( নৌকা) মোঃ দিদারুল কবির দিদার (জাপা, লাঙ্গল),
মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ( ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ,চেয়ার), মোঃ ইমরান( সতন্ত্র,ঈগল),খোকন চৌধুরী ( তৃণমূল বিএনপি,সোনালী আঁশ)
শহিদুল ইসলাম চৌধুরী( বাংলাদেশ কংগ্রেস,ডাব), মোঃ আক্তার হোসেন( বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্ট,টেলিভিশন),
মোঃ সালাউদ্দিন সতন্ত্র, রকেট।
নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থী ছাড়া বাকি দলীয় প্রার্থীগন তাদের দলের মনোনয়ন, মার্কা নিয়ে নির্বাচনে করলেও সীতাকুণ্ডবাসী তাদের কে চিনেননা, তাদের বাড়ী আসনের নগরীর আকবরশাহ থানা এলাকায় হওয়ায় কখনো পাড়ার লোকজন ছাড়া অন্য কোন ভোটার চিনেননা বলেও মনে হচ্ছে।তবে সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ইমরান ও মোঃ সালাউদ্দিন,ইসলামী ফ্রন্টের মোজাম্মেল তাদের ব্যক্তিগত কর্মে মোটামুটি কিছুটা পরিচিত লাভ করেছেন।
সতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাইকালে বাতিল হয়ে যাওয়ায় ইমরান ও সালাউদ্দিন হাইকোর্টে আফিল করে, অফিলে রায় তাদের পক্ষে যাওয়ায় তারা প্রার্থীতা ফিরে পায়ে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যায়,তবে মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছে।এদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নিজ ইউনিয়ন এলাকা বাড়বকুণ্ড ও কুমিরা, বাশঁবাড়ীয়ার কয়েকটি এলাকায় গন সংযোগ করেছে,ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী মোজাম্মেল সোনাইছড়ি ফৌজদারহাট কয়েকস্হানে গন সংযোগ করেছেন।গনসংযোগে এগিয়ে আছেন নৌকা প্রার্থী এস এম আল মামুন।তিনি আসনের সগরীর পাহাড়তলী, আকবর শাহ থানা এলাকায় ও উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর সভায় উঠান বৈঠক, সভা সমাবেশ,গন সংযোগ করে যাচ্ছেন।তিনি ছাড়াও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মহিলাদের কে নিয়ে গন স্যযোগ করছেন।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী দিদার আমাদের সময় কে জানায়,নির্বাচনী মাঠ পাচ্ছিনা,কর্মীরা ভয়ে কাজ করতে সাহস পাচ্ছেনা,সর্ব শেষ মাঠে থাকতে পারবো কিনা সন্দেহ আছে। ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেন জানায়,আমাদের কিছু নিজস্ব ভোটার আছে,তবে অন্য ভোটারদের কেও আমাদের কে সমর্থন করার চেষ্টা করছি,সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ইমরান আগে থেকেই মাঠে নিজ এলাকায় কিছু কাজ করেছেন,এরাকায় অসচ্ছল লোকদের কে সাহায্য সহযোগীতা,করুনাকালে সাহায্য প্রদান,সাংবাদিক,সরকারী দফতর গুলোতে পরিচয় মত বিনিময় করেছেন।বাকি অন্যান্য প্রার্থীগুলো এখনো নির্বাচনী মাঠে নামেননি তাদের কে এলাকাবাসী চিন্তেও পারছেনা।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে শুধুমাত্র্র আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ছাড়া অন্য কোন ভোটারদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছেনা।নির্বাচন তফসিরের পর প্রযন্ত আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে তিন ভাগে বিভক্ত থাকলেও মনোনয়ন প্রদানের পর দলটির মধ্যে কোন বিভক্তি দেখা যায়নি,তিন গ্রুপ এক হয়ে কাজ করছে নৌকার পক্ষে।এবং বিপুল ভোটে পাশ ও করবে নৌকা।
এদিকে বিএনপি নির্বাচনে না আসায় বিএনপি সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে যাবেন কিনা গেলেও ভোট কাকে ভোট দিবেন এখনো বুঝা যাচ্ছেনা।