1:27 pm, Monday, 2 November 2026

খুলনার বাজারে ভেজাল দুধের প্রতিযোগীতা

  • Reporter Name
  • Update Time : 04:59:41 pm, Wednesday, 13 December 2023
  • 32 Time View

মোঃশামীম হোসেন,খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার বাজারে ভেজাল দুধের প্রতিযোগীতা। দুধে পানি নাকি রাসায়নিক মেশানো তা পরীক্ষা করতে গিয়ে বিপদে পড়লেন দুধ ক্রেতা মহিদুল ইসলাম।

সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা গল্লামারী বাজারে দুধ কিনতে এসে ল্যাক্টোমিটার যন্ত্র দিয়ে দুধ পরীক্ষা করার সময় দুধব্যাবসায়ী ধ্রুব সরকার চড়াও হয়ে মহিদুল ইসলামকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।এবিষয়ে ৫/৬ জন দুধ ক্রেতা ঐক্য বদ্ধ হয়ে ৭/৮ জন দুধ ব্যাবসায়ীর দুধ পরীক্ষা করে। দুধ ক্রেতা সাইন বলে ।

ডুমুরিয়ার ধ্রুব সরকার ও অভয়নগরের মাধব প্রতিদিন পাইকারি শত শত লিটার ভেজাল দুধ খুলনার বাজারে বিক্রি করে আসছে। এতে ১ কেজি দুধে ৪ কেজি পানি নিয়মিত ডিটারজেন পাউডার,পরিটিন সেলমাইন, ইউরিয়া ফসট্রিকমেট, জাতীয় ফরমালিন ভেজাল দিয়ে বিক্রি করছে। দুধকে বলা হয় সুপারফুড। অর্থাৎ স্বাস্থ্যের জন্য অতি উপকারী। দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত বলে অভিমত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। আমাদের দেশে গরুর দুধ সহজলভ্য হলেও, খাঁটি দুধ সর্বত্র মেলে না। বরঞ্চ ক্রমশ বেড়ে চলেছে ভেজাল দুধের দৌরাত্ব।

এক সময় শুধু পানি মিশিয়ে ভেজাল করা হলেও, বর্তমানে গরুর দুধে, আটা, ময়দা, ডিটারজেন্ট পাউডার, ফরমালিন, গ্লুকোজ, সাবান সহ নানাকিছু মেশানো হচ্ছে। আরো ভয়ানক ঘটনা হলো, নানারকম রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম দুধও! এ ধরনের ভেজাল দুধ উপকারের পরিবর্তে সৃষ্টি করছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। আপনি প্রতিদিন যার কাছ থেকে গরুর দুধ নিচ্ছেন, তিনি খাঁটি দুধ দিচ্ছেন নাকি ভেজাল- বোঝার কিছু উপায় জেনে নিন।

দুধে পানি মেশানো কিনা বোঝার উপায়: ঢালু কোনো মসৃণ পৃষ্ঠের ওপর কয়েক ফোঁটা দুধ ফেলুন। খাঁটি দুধ হলে তা আস্তে আস্তে গড়িয়ে যাবে এবং দুধের সাদা দাগ দেখা যাবে। ভেজাল হলে দুধ দ্রুত গড়িয়ে যাবে এবং সাদা দাগ দেখা যাবে না। এছাড়া ল্যাক্টোমিটার নামক একটি যন্ত্র দিয়ে পানি মেশানো দুধ সহজেই শনাক্ত করা যায়। দুধ থেকে মাখন তুলে নিলে বা দুধে পানি মেশালে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে। ল্যাকটোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই এটি ধরা যায়।

এই পরিমাপক যন্ত্রের মধ্যে লাল রেখা রয়েছে, যেখানে দুধের ঘনত্ব পরিমাপের জন্য কিছু নম্বর দেয়া থাকে। যখন এই লাল রেখা ৩০ নম্বরে থাকে তার মানে হচ্ছে দুধে অন্যান্য পদার্থের মিশ্রণ খুব কম। যদি এই দাগ ৩০ এর উপর যায় তাহলে পরিমাপক যন্ত্র অনুযায়ী ১/৪ পানি, আরো উপরে গেলে অর্ধেক পানি অর্ধেক দুধ। লাল রেখাটি এর থেকেও উপরে যদি উঠতে থাকে তাতে বুঝা যাবে অল্প দুধ আর বাকিটুকু মিশ্রিত পানি। যদি লাল রেখাটি ৩০ এর ঘরে থাকে তাহলে দুধে পানির পরিমাণ খুব সীমিত অথবা নেই। ল্যাক্টোমিটার যন্ত্রটি আপনি নিকটস্থ বাজারে হাতের কাছেই পেয়ে যাবেন।

তবে এই যন্ত্রকে ফাঁকি দেয়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা আটা, গুঁড়া দুধ, ময়দা এমনকি চালের গুঁড়াও দুধের সঙ্গে মেশান। এতে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের খুব বেশি হেরফের হয় না। দুধে এসব ভেজাল মেশানো আছে কি না, তা বোঝার জন্য দুই চামচ দুধ একটি কাপে নিন। এতে দুই ফোঁটা টিংচার আয়োডিন মিশিয়ে দিন। দুধের রং হালকা নীল হলে বুঝবেন এতে ভেজাল হিসেবে আটা বা ময়দা মেশানো রয়েছে। দুধে ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি গ্লাসে ৫ থেকে ১০ মিলিলিটার দুধ এবং সমপরিমাণ পানি নিয়ে কিছুক্ষণ ঝাঁকান।

যদি ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো দুধ হয় তাহলে তাতে ঘন ফেনা দেখা যাবে। খাঁটি দুধে খুব পাতলা ফেনা সৃষ্টি হবে। দুধে স্টার্চ (মাওয়া, পনির) মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি পাত্রে ২-৩ মিলিলিটার দুধের সঙ্গে ৫ মিলিলিটার পানি মিশিয়ে ফুটান। এরপর ঠান্ডা করে এতে ২-৩ ফোঁটা আয়োডিন টিনকিউর দিন। যদি দুধের রঙ নীলচে হয়, তাহলে বুঝবেন তা দুধ ভেজাল। আয়োডিন টিনকিউর ওষুধের দোকান থেকে সহজেই কিনে নিতে পারবেন। দুধে ফরমালিন মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে ১০ মিলিলিটার দুধ নিন এবং এতে ৫ মিলিলিটার সালফিউরিক অ্যাসিড যুক্ত করুন।

যদি বেগুনি বা নীল রঙ প্রদর্শিত হয় তাহলে বুঝতে হবে দুধে ফরমালিন মেশানো হয়েছে। দুধ দীর্ঘদিন নষ্ট না হওয়ার জন্য এতে ফরমালিন মেশানো হয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ফরমালিন মিশ্রিত দুধ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুধে ইউরিয়া মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে এক চা-চামচ দুধ নিন। এবার এতে হাফ চা-চামচ সয়াবিন বা অড়হর পাউডার মিশিয়ে মিশ্রণটি ঝাঁকান। ৫ মিনিট পর এতে একটি লাল লিটমাস পেপার ডুবান। ৩০ সেকেন্ড পর পেপারটি তুলে ফেলুন। যদি দেখেন লাল লিটমাস পেপারের ডুবানো অংশটি নীলচে রঙ ধারণ করেছে, তাহলে বুঝবেন দুধে ইউরিয়া মেশানো হয়েছে। দুধে ডালডা মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে তিন মিলিলিটার দুধ নিন।

এবার এতে ১০ ফোঁটা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড এবং ১ চা-চামচ চিনি যুক্ত করুন। ৫ মিনিট পর যদি দেখেন মিশ্রণটি লাল রঙের হয়ে গেছে, তাহলে বুঝবেন দুধে ডালডা মেশানো হয়েছে। কৃত্রিম দুধ কিনা বোঝার উপায়: উচ্চ মাত্রার ভেজাল দিয়ে খাঁটি দুধের আদলে তৈরি করা হয় কৃত্রিম দুধ, যা সিন্থেটিক দুধ হিসেবে পরিচিত। সিন্থেটিক দুধের স্বাদ তেতো। সহজেই এই ভেজাল দুধ চেনার উপায় হচ্ছে, হাতের আঙুলে নিয়ে একটু ঘষলে সাবানের মতো অনুভূতি হবে। এছাড়া দুধ গরম করার পর হলদেটে রঙ ধারণ করবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

খুলনার বাজারে ভেজাল দুধের প্রতিযোগীতা

Update Time : 04:59:41 pm, Wednesday, 13 December 2023

মোঃশামীম হোসেন,খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার বাজারে ভেজাল দুধের প্রতিযোগীতা। দুধে পানি নাকি রাসায়নিক মেশানো তা পরীক্ষা করতে গিয়ে বিপদে পড়লেন দুধ ক্রেতা মহিদুল ইসলাম।

সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা গল্লামারী বাজারে দুধ কিনতে এসে ল্যাক্টোমিটার যন্ত্র দিয়ে দুধ পরীক্ষা করার সময় দুধব্যাবসায়ী ধ্রুব সরকার চড়াও হয়ে মহিদুল ইসলামকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।এবিষয়ে ৫/৬ জন দুধ ক্রেতা ঐক্য বদ্ধ হয়ে ৭/৮ জন দুধ ব্যাবসায়ীর দুধ পরীক্ষা করে। দুধ ক্রেতা সাইন বলে ।

ডুমুরিয়ার ধ্রুব সরকার ও অভয়নগরের মাধব প্রতিদিন পাইকারি শত শত লিটার ভেজাল দুধ খুলনার বাজারে বিক্রি করে আসছে। এতে ১ কেজি দুধে ৪ কেজি পানি নিয়মিত ডিটারজেন পাউডার,পরিটিন সেলমাইন, ইউরিয়া ফসট্রিকমেট, জাতীয় ফরমালিন ভেজাল দিয়ে বিক্রি করছে। দুধকে বলা হয় সুপারফুড। অর্থাৎ স্বাস্থ্যের জন্য অতি উপকারী। দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত বলে অভিমত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। আমাদের দেশে গরুর দুধ সহজলভ্য হলেও, খাঁটি দুধ সর্বত্র মেলে না। বরঞ্চ ক্রমশ বেড়ে চলেছে ভেজাল দুধের দৌরাত্ব।

এক সময় শুধু পানি মিশিয়ে ভেজাল করা হলেও, বর্তমানে গরুর দুধে, আটা, ময়দা, ডিটারজেন্ট পাউডার, ফরমালিন, গ্লুকোজ, সাবান সহ নানাকিছু মেশানো হচ্ছে। আরো ভয়ানক ঘটনা হলো, নানারকম রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম দুধও! এ ধরনের ভেজাল দুধ উপকারের পরিবর্তে সৃষ্টি করছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। আপনি প্রতিদিন যার কাছ থেকে গরুর দুধ নিচ্ছেন, তিনি খাঁটি দুধ দিচ্ছেন নাকি ভেজাল- বোঝার কিছু উপায় জেনে নিন।

দুধে পানি মেশানো কিনা বোঝার উপায়: ঢালু কোনো মসৃণ পৃষ্ঠের ওপর কয়েক ফোঁটা দুধ ফেলুন। খাঁটি দুধ হলে তা আস্তে আস্তে গড়িয়ে যাবে এবং দুধের সাদা দাগ দেখা যাবে। ভেজাল হলে দুধ দ্রুত গড়িয়ে যাবে এবং সাদা দাগ দেখা যাবে না। এছাড়া ল্যাক্টোমিটার নামক একটি যন্ত্র দিয়ে পানি মেশানো দুধ সহজেই শনাক্ত করা যায়। দুধ থেকে মাখন তুলে নিলে বা দুধে পানি মেশালে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে। ল্যাকটোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই এটি ধরা যায়।

এই পরিমাপক যন্ত্রের মধ্যে লাল রেখা রয়েছে, যেখানে দুধের ঘনত্ব পরিমাপের জন্য কিছু নম্বর দেয়া থাকে। যখন এই লাল রেখা ৩০ নম্বরে থাকে তার মানে হচ্ছে দুধে অন্যান্য পদার্থের মিশ্রণ খুব কম। যদি এই দাগ ৩০ এর উপর যায় তাহলে পরিমাপক যন্ত্র অনুযায়ী ১/৪ পানি, আরো উপরে গেলে অর্ধেক পানি অর্ধেক দুধ। লাল রেখাটি এর থেকেও উপরে যদি উঠতে থাকে তাতে বুঝা যাবে অল্প দুধ আর বাকিটুকু মিশ্রিত পানি। যদি লাল রেখাটি ৩০ এর ঘরে থাকে তাহলে দুধে পানির পরিমাণ খুব সীমিত অথবা নেই। ল্যাক্টোমিটার যন্ত্রটি আপনি নিকটস্থ বাজারে হাতের কাছেই পেয়ে যাবেন।

তবে এই যন্ত্রকে ফাঁকি দেয়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা আটা, গুঁড়া দুধ, ময়দা এমনকি চালের গুঁড়াও দুধের সঙ্গে মেশান। এতে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের খুব বেশি হেরফের হয় না। দুধে এসব ভেজাল মেশানো আছে কি না, তা বোঝার জন্য দুই চামচ দুধ একটি কাপে নিন। এতে দুই ফোঁটা টিংচার আয়োডিন মিশিয়ে দিন। দুধের রং হালকা নীল হলে বুঝবেন এতে ভেজাল হিসেবে আটা বা ময়দা মেশানো রয়েছে। দুধে ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি গ্লাসে ৫ থেকে ১০ মিলিলিটার দুধ এবং সমপরিমাণ পানি নিয়ে কিছুক্ষণ ঝাঁকান।

যদি ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো দুধ হয় তাহলে তাতে ঘন ফেনা দেখা যাবে। খাঁটি দুধে খুব পাতলা ফেনা সৃষ্টি হবে। দুধে স্টার্চ (মাওয়া, পনির) মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি পাত্রে ২-৩ মিলিলিটার দুধের সঙ্গে ৫ মিলিলিটার পানি মিশিয়ে ফুটান। এরপর ঠান্ডা করে এতে ২-৩ ফোঁটা আয়োডিন টিনকিউর দিন। যদি দুধের রঙ নীলচে হয়, তাহলে বুঝবেন তা দুধ ভেজাল। আয়োডিন টিনকিউর ওষুধের দোকান থেকে সহজেই কিনে নিতে পারবেন। দুধে ফরমালিন মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে ১০ মিলিলিটার দুধ নিন এবং এতে ৫ মিলিলিটার সালফিউরিক অ্যাসিড যুক্ত করুন।

যদি বেগুনি বা নীল রঙ প্রদর্শিত হয় তাহলে বুঝতে হবে দুধে ফরমালিন মেশানো হয়েছে। দুধ দীর্ঘদিন নষ্ট না হওয়ার জন্য এতে ফরমালিন মেশানো হয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ফরমালিন মিশ্রিত দুধ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুধে ইউরিয়া মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে এক চা-চামচ দুধ নিন। এবার এতে হাফ চা-চামচ সয়াবিন বা অড়হর পাউডার মিশিয়ে মিশ্রণটি ঝাঁকান। ৫ মিনিট পর এতে একটি লাল লিটমাস পেপার ডুবান। ৩০ সেকেন্ড পর পেপারটি তুলে ফেলুন। যদি দেখেন লাল লিটমাস পেপারের ডুবানো অংশটি নীলচে রঙ ধারণ করেছে, তাহলে বুঝবেন দুধে ইউরিয়া মেশানো হয়েছে। দুধে ডালডা মেশানো কিনা বোঝার উপায়: একটি টেস্টটিউবে তিন মিলিলিটার দুধ নিন।

এবার এতে ১০ ফোঁটা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড এবং ১ চা-চামচ চিনি যুক্ত করুন। ৫ মিনিট পর যদি দেখেন মিশ্রণটি লাল রঙের হয়ে গেছে, তাহলে বুঝবেন দুধে ডালডা মেশানো হয়েছে। কৃত্রিম দুধ কিনা বোঝার উপায়: উচ্চ মাত্রার ভেজাল দিয়ে খাঁটি দুধের আদলে তৈরি করা হয় কৃত্রিম দুধ, যা সিন্থেটিক দুধ হিসেবে পরিচিত। সিন্থেটিক দুধের স্বাদ তেতো। সহজেই এই ভেজাল দুধ চেনার উপায় হচ্ছে, হাতের আঙুলে নিয়ে একটু ঘষলে সাবানের মতো অনুভূতি হবে। এছাড়া দুধ গরম করার পর হলদেটে রঙ ধারণ করবে।