
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চারটি নির্বাচনী আসনের মধ্যে চকরিয়া -পেকুয়া আসন ছাড়া অন্য তিনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিবর্তন হয়নি।
তবে আসনটিতে নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদকে ঋণ খেলাপীর অভিযোগে মনোনয়ন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিগত সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান এম পি জাফর আলম।
উক্ত আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা, ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমের ছেলে তানভির আহমদ সিদ্দিকী।
জেলাজুড়ে আলোচিত আওয়ামী লীগের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীদের একজনের মনোনয়ন স্থগিত অন্যজনের স্বতন্ত্র প্রার্থীতার বিষয়ে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হলেও সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা কন্যা হোসেন আরা আরজু। ইতিমধ্যে আসনটিতে জাপা প্রার্থী হোসনে আরা আরজুর গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি কক্সবাজার জেলার স্বনামধন্য ব্যবসায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আহম্মেদ এর কন্যা। এছাড়াও হোসনে আরা আরজু’র স্বামী জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ইলিয়াস আহমেদ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উক্ত আসনের নির্বাচিত এম পি ছিলেন।
উক্ত নির্বাচনি এলাকার ভোটারের তথ্যমতে রাজনৈতিক এবং পারিবারিক ঐতিহ্যসহ সবমিলিয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত এই প্রার্থীর সাথে সাধারণ মানুষের সাথে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। যার জনপ্রিয়তার কাছে হার মানতে পারে অন্যান্য যে কোন দলের প্রার্থী।
এছাড়াও একসময়ে বি এন পি’র দুর্গ খ্যাত এবং বি এন পি সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ’র স্থায়ী নিবাস এই আসনে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত এম পি নির্বাচিত হয়ে বর্তমান জাপা মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা আরজুর স্বামী ইলিয়াস আহমেদ আসনটিতে দৃশ্যমান অনেক উন্নয়ন করেছেন।
যে জন্য লোকমুখে ভোটের মাঠে হেভিওয়েট প্রার্থীদের প্রথমেই উঠে আসে জাপা নেত্রী আরজুর নাম। রয়েছে তার সাংগঠনিক ঐক্যবদ্ধতা এবং জনসমর্থন।
মার্জিত ভাষার অধিকারী এই জাপা নেত্রী তার সাংগঠনিক ঐক্যবদ্ধতা এবং বিশাল জনসমর্থনে প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচনী কার্যক্রম।
দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পেয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা এই প্রার্থীকে নিয়ে সর্বত্রই চলছে বিজয় সুনিশ্চিতের নানা জল্পনা-কল্পনা।
জাপা নেত্রীর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ দিদারুল আলম জানান,আমরা যেদিকে যাচ্ছি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। কেননা বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আমাদের দলীয় প্রার্থী ইলিয়াস আহমেদ এম পি নির্বাচিত হয়ে দলমত নির্বিশেষে দৃশ্যমান শতশত উন্নয়ন করেছেন।
সাধারণ মানুষ তৎকালীন এম পি মহোদয়ের যথেষ্ট সেবা পেয়েছে। মানুষ তা ভুলেনি। আমরা যখন প্রচার – প্রচারণায় যায় সাধারণ মানুষ আমাদেরকে তা প্রকাশ করে। তিনি এই এলাকার আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
এছাড়াও তৎকালীন সময় থেকে আজ-অব্দি সাবেক এম পি সাহেবের সহধর্মিণী বর্তমান জাপা মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা আরজু কিন্তু সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ প্রতিটি কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে ছিলেন এবং এখনো আছেন। তাই এই এলাকার মাটিও মানুষের সাথে মিশে থাকা জাপা মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা আরজু বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করবে যা আমাদের বিশ্বাস।
চকরিয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত এম পি ইলিয়াস আহমেদ অকল্পনীয় উন্নয়ন এবং সেবা দিয়েছেন। একইসাথে জাপা’র সাবেক এম পি’র সহধর্মিণী বর্তমান জাপা মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা আরজু দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে সার্বিক সহযোগিতায় যথেষ্ট ভুমিকা রেখেছেন।
Reporter Name 









