5:37 pm, Monday, 2 November 2026

ঢাকা-১৮: আওয়ামী লীগ কপাল খুলে যেতে পারে নতুনের

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:13:57 pm, Saturday, 4 November 2023
  • 21 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক মনোনয়ন প্রশ্নে উত্তরা আওয়ামী লীগের নেতারা বহুধাভাগে বিভক্ত। দলীয় মনোনয়ন পেতে নেতারা যে যার মতো দৌড়ঝাপ করছেন।

কার হাতে শেষ পর্যন্ত নৌকা উঠে তা নিয়ে নেতাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনাও বিরাজ করছে। এ আসনে গত উপনির্বাচনে প্রায় ৫৪ জন মনোনয়ন নেতা মনোনয়ন চাইলেও স্থানীয়দের মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

উপনির্বাচনে হাবিব হাসান এমপি নির্বাচিত হলেও এবার তিনি আরো দুইজন শক্তিশালী প্রার্থীর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। এরা হলেন, উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডেও জনপ্রিয় কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান এবং নিপা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও নগর উত্তর আওয়ামী লীগের শিল্প সম্পাদক খসরু চৌধুরি। এছাড়া নগর আওয়ামী লীগের আরো দুইজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও তারা মুলত আফসার খান ও খসরু চৌধুরির পক্ষেই অবস্থান নিবেন বলে জানাগেছে।

তবে উপ নির্বাচনে এমপি হওয়ার পর থেকে বর্তমান এমপি অনেকের বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। বিরোধিরা এমপির নানা অপকর্ম নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ধারে ধারে ঘুরছেন। তবে সব চাপিয়ে এবার সাহারা গ্রুপের লোকজন বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নানা সুত্রের খবর থেকে জানাগেছে, বর্তমান এমপি এবার নমিনেশন নাও পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী হিসেবে লাইম লাইটে চলে আসতে পারেন জনপ্রিয় কানউন্সিলর ও সাহারা খাতুনের একনিষ্ট অনুসারী নেতা আফসার উদ্দিন খান।

এছাড়া সুযোগ বুঝে যথা সময়ে নিজের টিকেট কনর্ফাম করতে উঠে পড়ে লেগেছেন শিল্প সম্পাদক খসরু চৌধুরিও। তবে স্থানীয় নেতাদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, গত উপনির্বাচনের সময় বর্তমান এমপির সাথে থাকা অনেক নেতা এবার তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। বিশেষ করে উত্তরা অঞ্চলের নগরের প্রায় শতভাগ নেতা এবার আফসার উদ্দিন খানের পক্ষে মাঠে নামছেন। এছাড়া স্থানীয় কাউন্সিলর এবং থানা ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ন নেতারা বর্তমান এমপির বিরুদ্ধে কথা বলছেন। অনেকে আবার এমপির সাথে থাকলেও তিনি যাতে নমিনেশন না পান সেই লক্ষে জোর চেষ্টা তদবির করে যাচ্ছেন। জানাগেছে, দলের এ অবস্থায় মনোনয় শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে সিনিয়র নেতাদের প্রায় অনেকেই মনোনয়ন পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছেন। ফলে কপাল খুলে যেতে পারে নতুন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

ঢাকা-১৮: আওয়ামী লীগ কপাল খুলে যেতে পারে নতুনের

Update Time : 11:13:57 pm, Saturday, 4 November 2023

নিজস্ব প্রতিবেদক মনোনয়ন প্রশ্নে উত্তরা আওয়ামী লীগের নেতারা বহুধাভাগে বিভক্ত। দলীয় মনোনয়ন পেতে নেতারা যে যার মতো দৌড়ঝাপ করছেন।

কার হাতে শেষ পর্যন্ত নৌকা উঠে তা নিয়ে নেতাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনাও বিরাজ করছে। এ আসনে গত উপনির্বাচনে প্রায় ৫৪ জন মনোনয়ন নেতা মনোনয়ন চাইলেও স্থানীয়দের মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

উপনির্বাচনে হাবিব হাসান এমপি নির্বাচিত হলেও এবার তিনি আরো দুইজন শক্তিশালী প্রার্থীর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। এরা হলেন, উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডেও জনপ্রিয় কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান এবং নিপা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও নগর উত্তর আওয়ামী লীগের শিল্প সম্পাদক খসরু চৌধুরি। এছাড়া নগর আওয়ামী লীগের আরো দুইজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও তারা মুলত আফসার খান ও খসরু চৌধুরির পক্ষেই অবস্থান নিবেন বলে জানাগেছে।

তবে উপ নির্বাচনে এমপি হওয়ার পর থেকে বর্তমান এমপি অনেকের বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। বিরোধিরা এমপির নানা অপকর্ম নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ধারে ধারে ঘুরছেন। তবে সব চাপিয়ে এবার সাহারা গ্রুপের লোকজন বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নানা সুত্রের খবর থেকে জানাগেছে, বর্তমান এমপি এবার নমিনেশন নাও পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী হিসেবে লাইম লাইটে চলে আসতে পারেন জনপ্রিয় কানউন্সিলর ও সাহারা খাতুনের একনিষ্ট অনুসারী নেতা আফসার উদ্দিন খান।

এছাড়া সুযোগ বুঝে যথা সময়ে নিজের টিকেট কনর্ফাম করতে উঠে পড়ে লেগেছেন শিল্প সম্পাদক খসরু চৌধুরিও। তবে স্থানীয় নেতাদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, গত উপনির্বাচনের সময় বর্তমান এমপির সাথে থাকা অনেক নেতা এবার তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। বিশেষ করে উত্তরা অঞ্চলের নগরের প্রায় শতভাগ নেতা এবার আফসার উদ্দিন খানের পক্ষে মাঠে নামছেন। এছাড়া স্থানীয় কাউন্সিলর এবং থানা ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ন নেতারা বর্তমান এমপির বিরুদ্ধে কথা বলছেন। অনেকে আবার এমপির সাথে থাকলেও তিনি যাতে নমিনেশন না পান সেই লক্ষে জোর চেষ্টা তদবির করে যাচ্ছেন। জানাগেছে, দলের এ অবস্থায় মনোনয় শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে সিনিয়র নেতাদের প্রায় অনেকেই মনোনয়ন পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছেন। ফলে কপাল খুলে যেতে পারে নতুন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।