10:01 pm, Monday, 2 November 2026

কুড়িগ্রামের প্রতিটি উপজেলার পূজা মন্দির সজ্জিত

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:52:55 pm, Thursday, 19 October 2023
  • 25 Time View

শ্রী রতন কুমার রায় (কুড়িগ্রাম ) : কুড়িগ্রাম জেলার প্রতিটি উপজেলার পূজা মন্দিরে সাজ সজ্জায় সজ্জিত হয়েছে রংবেরং এ। প্রতিমাকে তুলির আঁচড়ে আকর্ষনীয় করে ফুটিয়ে তুলেছে কারিগররা। আলোকসজ্জাসহ বাহারী সব আয়োজন দুর্গাপুঁজাকে ঘিরে চারিদিকে বিদ্যমান।

২০অক্টোবর শুক্রবার থেকে ষষ্ঠী পূঁজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় দুর্গাপূঁজা।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় প্রতিটি পাড়া, প্রতিটা গ্রামে উৎসব ছড়িয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় ৫৮৯ টি মন্দিরে পুজা উদযাপন হবে।

রাজারহাট উপজেলায় এবারে ১২৫ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রশাসনের কড়া নজরদারী রয়েছে সর্বত্র।

গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়। আসন্ন দুর্গাপূঁজা উপলক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট রাজারহাট উপজেলা ও সকল মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সাথে প্রস্তুতিসভা সম্পন্ন করেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এর সভাপতি, শ্রী রতন কুমার রায় বলেন,
রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, পূজা উদযাপন কমিটির তালিকা অনুযায়ী, এবছর আমাদের রাজারহাট উপজেলায় ১২৫ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি আশা রাখি পরিপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা শারদ অনুষ্ঠান উদযাপন করতে পারবো।

রাজারহাট উপজেলায় ১২৫ টি মন্দিরেই সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাধীনেই আমাদের শারদ অনুষ্ঠান উদযাপন হবে।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতির বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল্লাহিল জামান মহোদয় জানান, দুর্গাপূজা উদযাপনে সার্বিক শৃংখলা বজায় রাখতে প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা, মন্দিরভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও পুলিশী টহলসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এই পুজায় কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা মহল কর্তৃক ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত করতে চাইলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। সকলের মাঝে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

কুড়িগ্রামের প্রতিটি উপজেলার পূজা মন্দির সজ্জিত

Update Time : 11:52:55 pm, Thursday, 19 October 2023

শ্রী রতন কুমার রায় (কুড়িগ্রাম ) : কুড়িগ্রাম জেলার প্রতিটি উপজেলার পূজা মন্দিরে সাজ সজ্জায় সজ্জিত হয়েছে রংবেরং এ। প্রতিমাকে তুলির আঁচড়ে আকর্ষনীয় করে ফুটিয়ে তুলেছে কারিগররা। আলোকসজ্জাসহ বাহারী সব আয়োজন দুর্গাপুঁজাকে ঘিরে চারিদিকে বিদ্যমান।

২০অক্টোবর শুক্রবার থেকে ষষ্ঠী পূঁজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় দুর্গাপূঁজা।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় প্রতিটি পাড়া, প্রতিটা গ্রামে উৎসব ছড়িয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় ৫৮৯ টি মন্দিরে পুজা উদযাপন হবে।

রাজারহাট উপজেলায় এবারে ১২৫ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রশাসনের কড়া নজরদারী রয়েছে সর্বত্র।

গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়। আসন্ন দুর্গাপূঁজা উপলক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট রাজারহাট উপজেলা ও সকল মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সাথে প্রস্তুতিসভা সম্পন্ন করেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এর সভাপতি, শ্রী রতন কুমার রায় বলেন,
রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, পূজা উদযাপন কমিটির তালিকা অনুযায়ী, এবছর আমাদের রাজারহাট উপজেলায় ১২৫ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি আশা রাখি পরিপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা শারদ অনুষ্ঠান উদযাপন করতে পারবো।

রাজারহাট উপজেলায় ১২৫ টি মন্দিরেই সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাধীনেই আমাদের শারদ অনুষ্ঠান উদযাপন হবে।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতির বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল্লাহিল জামান মহোদয় জানান, দুর্গাপূজা উদযাপনে সার্বিক শৃংখলা বজায় রাখতে প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা, মন্দিরভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও পুলিশী টহলসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এই পুজায় কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা মহল কর্তৃক ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত করতে চাইলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। সকলের মাঝে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।