
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের কুতুবের চর এলাকায় একটি অবৈধ মৎস্য আড়ত গড়ে উঠে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুমোদন ছাড়াই গড়ে ওঠা এই আড়তটি চালু হওয়ায় ভীষণভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া পাশেই হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় অবস্থিত হাটিকুমরুল নিউ টাউন মৎস্য আড়তটি ।
অবৈধ আড়তটি সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ভাড়া জায়গায় চালু হওয়ায় সরকারকে বছরে দুই কোটি টাকা রাজস্ব দেওয়া হাটিকুমরুল নিউ টাউন মৎস্য আড়তটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
এতে একদিকে যেমন সরকারের কোটি কোটি
টাকা রাজস্ব হারানোর শংকা তৈরি হয়েছে। তেমনই অবৈধ আড়ৎ থেকেও কোনও রাজস্ব
পাচ্ছে না সরকার। হাট পেরিফির জায়গা না থাকা সত্তেও একটি মহল ভাড়া জায়গায় এই অবৈধভাবে আড়ৎ লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটের পায়তারা করছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ কয়েকটি দপ্তরে এমনই একটি লিখিত
অভিযোগ করেছেন হাটিকুমরুল নিউ টাউন মৎস্য আড়তের ইজারাদার মিজানুর রহমান ও সাধারণ ব্যাবসায়ীরা।
হাটিকুমরুল নিউ টাউন মৎস আড়তের ইজারাদার মো. মিজানুর রহমান ও আড়তটির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবত এখানে আড়ত পরিচালনা করে আসছি। একদম বৈধ পন্থায় স্থাপিত আড়ত এটি । বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত মাছের গাড়ি এখানে আসে।
দেশের মধ্যে সিরাজগঞ্জ রোড (হাটিকুমরুল) নিউ টাউন মৎস্য আড়ত অতি সুপরিচিত। এখান থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকেন। এ বছর দুই কোটি টাকা দিয়ে আমরা ইজারা নিয়েছি। হঠাৎ করেই দেখছি আমাদের আড়তের দুই কিলোমিটার দুরে একটি কুচক্রি মহল ভাড়া জায়গায় অনুমতি বিহীন বেআইনি ভাবে আড়ত স্থাপন করেছে ।
এ কারনে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। এতো কাছাকাছি দুটো আড়ত থাকলে আমাদের আড়তটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আড়ত বন্ধ হলে আমাদের অপুরনীয় ক্ষতি হবে। তাই আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর অবৈধ কুতুবের চর মৎস্য আড়তটি বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছি।
Reporter Name 








