12:19 pm, Monday, 2 November 2026

শিক্ষা আইনে আরো কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি শিক্ষক সমিতির

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:38:58 am, Wednesday, 26 January 2022
  • 58 Time View

আবু রায়হান রিপন : শিক্ষা আইনে আরো কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি শিক্ষক সমিতির। ‘শিক্ষা আইন-২০২১’ পুনর্গঠনে করণীয় নির্ধারণে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ভার্চুয়াল এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত নোটিস ইস্যু করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আইনের খসড়া অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তা ফেরত পাঠানো হয়। এর আগেও কয়েক দফা আইনের খসড়া ফেরত পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করার পর গত বছর ২ মে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন ‘শিক্ষা আইন দীর্ঘ দিনেও চেষ্টা করে করা যায়নি। এখন সেটি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। আমাদের দিক থেকে আমরা চূড়ান্ত করেছি। এটি মন্ত্রিপরিষদের যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। শিক্ষা আইনটি হলে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে সেগুলো আমরা কমিয়ে আনতে সক্ষম হবো।’

এরপর চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা উল্লেখ করে মতামতসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠায়।

গত বছর ১৩ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খসড়া আইনটি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামত ও ওই সভার সভার সিদ্ধান্তের আলোকে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন পুনর্গঠন বা করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব), ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, এবং দুই মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে শিক্ষক নির্যাতন ও চাকুরীচ্যুতি বন্ধ না করে শিক্ষা আইন কোন কাজে আসবে না বলে দাবী করেন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষক সংগঠন বাংলাদেশের শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান জনাব নজরুল ইসলাম রনি।তিনি আরো বলেন, সাময়িক বরখাস্তের বিধান না রাখাই যৌক্তিক। সাময়িক বরখাস্তের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রহসন চলছে।হাজার হাজার শিক্ষক হয়রানির শিকার। অনিয়ম ও দূর্নীতি না থাকলেও বেশিরভাগ ম্যানেজিং কমিটি মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে শিক্ষকদের হয়রানি করে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

শিক্ষা আইনে আরো কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি শিক্ষক সমিতির

Update Time : 11:38:58 am, Wednesday, 26 January 2022

আবু রায়হান রিপন : শিক্ষা আইনে আরো কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি শিক্ষক সমিতির। ‘শিক্ষা আইন-২০২১’ পুনর্গঠনে করণীয় নির্ধারণে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ভার্চুয়াল এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত নোটিস ইস্যু করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আইনের খসড়া অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তা ফেরত পাঠানো হয়। এর আগেও কয়েক দফা আইনের খসড়া ফেরত পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করার পর গত বছর ২ মে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন ‘শিক্ষা আইন দীর্ঘ দিনেও চেষ্টা করে করা যায়নি। এখন সেটি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। আমাদের দিক থেকে আমরা চূড়ান্ত করেছি। এটি মন্ত্রিপরিষদের যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। শিক্ষা আইনটি হলে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে সেগুলো আমরা কমিয়ে আনতে সক্ষম হবো।’

এরপর চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা উল্লেখ করে মতামতসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠায়।

গত বছর ১৩ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খসড়া আইনটি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামত ও ওই সভার সভার সিদ্ধান্তের আলোকে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন পুনর্গঠন বা করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব), ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, এবং দুই মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে শিক্ষক নির্যাতন ও চাকুরীচ্যুতি বন্ধ না করে শিক্ষা আইন কোন কাজে আসবে না বলে দাবী করেন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষক সংগঠন বাংলাদেশের শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান জনাব নজরুল ইসলাম রনি।তিনি আরো বলেন, সাময়িক বরখাস্তের বিধান না রাখাই যৌক্তিক। সাময়িক বরখাস্তের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রহসন চলছে।হাজার হাজার শিক্ষক হয়রানির শিকার। অনিয়ম ও দূর্নীতি না থাকলেও বেশিরভাগ ম্যানেজিং কমিটি মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে শিক্ষকদের হয়রানি করে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।