
মোজাম্মেল হক লিটন, নোয়াখালী প্রতিনিধি : মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ ফাতেমা : ঘাতক স্বামী আটক। মেহেদির রং না মুছতেই বিয়ের মাত্র ১৫দিনের মাথায় লাশ হলো ফাতেমা বেগম (১৭) নামের এক নববধূ। নিহত গৃহবধূ লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চর রমনী গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে।
গত ১৫ দিন আগে একই এলাকার আবদুল বাসেতের ছেলে মো. শরীফের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শরীফ পেশায় একজন মাটি কাটার শ্রমিক। শনিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী মো. শরীফকে আটক করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বাতেন মৃধা। তিনি বলেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর হলেও সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মাহাদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মিস্ত্রির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তারা। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয় । ওই কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে নিহতের স্বামী শরীফ জানায়।
রোববার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হবে। সেই রিপোর্ট ও বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি। এরআগে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মহিদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মিস্ত্রি বাড়ির ভাড়া বাসায় গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁসি দিয়ে ফাতেমা আত্মহত্যা করে বলে দাবি করে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে ওই বাড়ির লোকজন ফাতেমাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ ফাতেমা : ঘাতক স্বামী আটক
মোজাম্মেল হক লিটন, নোয়াখালী প্রতিনিধি : মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ ফাতেমা : ঘাতক স্বামী আটক। মেহেদির রং না মুছতেই বিয়ের মাত্র ১৫দিনের মাথায় লাশ হলো ফাতেমা বেগম (১৭) নামের এক নববধূ। নিহত গৃহবধূ লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চর রমনী গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে।
গত ১৫ দিন আগে একই এলাকার আবদুল বাসেতের ছেলে মো. শরীফের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শরীফ পেশায় একজন মাটি কাটার শ্রমিক। শনিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী মো. শরীফকে আটক করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বাতেন মৃধা। তিনি বলেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর হলেও সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মাহাদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মিস্ত্রির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তারা। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয় । ওই কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে নিহতের স্বামী শরীফ জানায়।
Reporter Name 








