
সিরাজুল ইসলাম:সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমার এ মাতৃভূমি যা এখন ঋতুর পরিবর্তনে সুজলার পরিবর্তে গভীর স্যালো মেসিনের সাহায্যে ফসল উৎপাদনে ব্যাস্ত কৃষকরা। আমদানি নির্ভর সয়াবিন তেলের বিকল্প সরিষার তেল। ভোজ্য তেলর চাহিদা পূরণেএবার বিশেষ ভূমিকা রাখবে সরিষা চাষীরা।
আঞ্চলিক কৃষি কআর্যআলয়এর তথ্য মতে,এ বছর খুলনা বিভাগের ৬ জেলায় ৭৪ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ২৫ হাজার ৬৯৬ হেক্টর বেশি। এ বছরে যশোরে ২৪ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। ঝিনাইদহে ২২ হাজার ১১২ হেক্টর, কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার ৭৫০ হেক্টর, মাগুরায় ১৭ হাজার ১৬০ হেক্টর, চুয়াডাঙ্গায় ৩ হাজার ১৩৫ হেক্টর, মেহেরপুর ৫ হাজার ২৪০ হেক্টর, জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। যশোরের অভয়নগর উপজেলার দেয়াপাড়া গ্ৰামের রাজিব হোসেন জানান।গত বছর বৃষ্টির পানিতে সরিষার ফসল নষ্ট হয়ে যায়।
এবার আবাহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার চাষ বেশি হয়েছে। রোগবালাই কম ফুল ফল ভালো দেখা যাচ্ছে। আশা করি ভাল ফলন হবে। তিনি আরো বলেন এবার সরকারি ভাবে সরিষার চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ নানা উপকরণ সহ পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষক মাসুদ বলেন। ভোজ্য তেলে সরিষার ব্যপক চাহিদা বেড়েছে। তাছাড়া সরিষার নতুন জাত চাষ করে একই জমিতে বোরো ধানের চাষ করা যায়।
এ কারণে চাষীরা এবার সরিষা চাষে আগ্ৰহী হয়েছে। ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন। ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণে এ বছর সরিষা চাষে জোর দিয়েছে সরকার। এ জন্য কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরুতে সরিষার চাষে উৎসাহ দিতে প্রণোদনার আওতায় কৃষকরা ১কেজি করে বারি শর্ষে ১৪,১৭, ১৮,ও বিনা শর্ষে
৯ জাতের বীজ ১০ কেজি করে বিএনপি ফসফেট ১০ কেজি করে পটাশ সার দেওয়া হয়েছে।
আবাহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার ফলন ভালো হবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর অতিরিক্ত পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন সয়াবিনের বিকল্প হিসেবে সরিষার তেলের চাহিদা বেড়েছে। আবাহাওয়া অনুকূলে থাকায় দারুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভালো দামের আশায় কৃষকরা সরিষার চাষে ঝুঁকছে। খুলনা, বাগেরহাট নড়াইল ও সাতক্ষীরায় কম বেশি সরিষার চাষ হয়েছে।