
নিরেন দাস, জয়পুরহাট থেকে : মিছিল করতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারানো এক আ’লীগ কর্মীর পরিবারের অসহায় জীবন যাপন। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর মিছিল করতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারানো এক আওয়ামী লীগ কর্মীর পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ- মৃত্যুর দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোন নেতাকর্মী দরিদ্র এই পরিবারটির খোঁজ-খবর নেয়নি। উপরন্তু স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে নিহতের স্ত্রীকে আয়া পোষ্টে চাকুরী দেওয়ার কথা দিলেও তা পূরণ করেনি কেউ।
জানা গেছে, ৩০ ডিসেম্বর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা মার্কার দলীয় প্রার্থী জামাত আলীর নির্বাচনী মিছিল করতে যায় চেঁচড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মন্ডলের ছেলে আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুল মোমিন মন্ডল। পথিমধ্যে বাগজানা বাস স্ট্যান্ডে পাঁচবিবি থেকে হিলিগামী একটি খালি ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ওই দিনই নিহত আব্দুল মোমিনের বড় ভাই মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে চালক তারাজুল ইসলাম ও সহকারী হিরোকে আসামী করে পাঁচবিবি থানায় একটি মামলা দাযের করেন।
এ ঘটনায় অসহায় পরিবারটি এক মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। তার সংসার জুড়ে থাকা বড় মেয়ে মীম এখন দশম শ্রেণীর ছাত্রী। আর তার স্ত্রীর কোল জুড়ে রয়েছে প্রায় দুই মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান। তাদের নিয়ে এখন অনেকটা খেযে না খেয়ে বেঁচে আছে তারা।
নিহত আব্দুল মোমিনের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানায়, মৃত্যুর দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোন নেতাকর্মী দরিদ্র এই পরিবারটির খোঁজ-খবর নেয়নি।
আব্দুল মোমিনের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক জানান, মৃত্যুর পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ঘোষনা দিয়েছিলেন-রামভদ্রপুর দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়া পোষ্টে তার স্ত্রীকে নিয়োগ দিবেন। অথচ এই প্রতিশ্রতি না রেখে সাড়ে ৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে হিরা বিবি নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়োগ দিয়েছেন ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনুস আলী।
Reporter Name 








