7:35 am, Monday, 2 November 2026

জনগণ আমার পরিবার : একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:44:16 am, Friday, 29 October 2021
  • 99 Time View

মিরণ মোল্লা/ সৈয়দ রমজান, নড়াইল থেকে : জনগণ আমার পরিবার : একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন। আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১২নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন খন্দকার মঈন উদ্দীন। ২৭ অক্টোবর তিনি টিউবওয়েল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। টিউবওয়েল প্রতীক পেয়েই ওয়ার্ডের প্রতিটি সাধারণ মানুষের দুয়ারে দৌঁড়াচ্ছেন একটি ভোটের আশায়। চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা।

দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন বলেন- জনগণ আমার পরিবার; জনগন সাথে থাকলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার চলার পথ থেমে যাবে না। আমি সকলের সাথে ছিলাম-আছি-থাকবো। যেমনটি একটি পরিবারের সদস্যরা থাকে।

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততোই গরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ। সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত – পথে ঘাটে চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। ওয়ার্ডবাসীর দাবি এবারের নির্বাচনে ইউনিয়নের নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে (ইউপি সদস্য) হিসেবে একজন সৎ-যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হোক। একজন সৎ-যোগ্য প্রার্থীর কোন বিকল্প নেই। ঘোষিত এবং অঘোষিত বিভিন্ন ধরনের সেবার মানসিকতা নিয়ে যারা সদস্য পদে পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তাদের মধ্যে সৎ-যোগ্য প্রার্থীর প্রতি মানুষের সমর্থন আরও উজ্জীবিত করবে বলে এলাকার বিজ্ঞজনেরা মন্তব্য করেছেন।

আসন্ন ১২ নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে (ইউপি সদস্য) পদে পদপ্রার্থী হয়েছেন ৫জন। এর মধ্যে বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ আজিম, সাবেক ইউপি সদস্য খান ইকবাল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য নিসারত সরদার, মো: আবু হানিফ এবং তরুণ সমাজসেবক ও মির্জাপুর বাজার বণিক সমিতির বার বার নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক খন্দকার মঈন উদ্দীন।

একান্ত সাক্ষাৎকারে কিছু প্রশ্নের মুখোমুখিতে খন্দকার মঈন উদ্দীন জানান, আমি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে প্রথম হস্তলিখিত সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম খন্দকার আব্দুল হাফিজ -এর দৌহিত্র এবং ১২নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত সুযোগ্য চেয়ারম্যান মরহুম খন্দকার আবুল কাশেম তারিক বিল্লাহ -এর ভাতিজা।

আমি আমি খন্দকার মঈন উদ্দীন নির্বাচনে নবীন। তবে ইতিহাসে সাক্ষী আছে যে- নবীনরাই ইতিহাস সৃস্টি করে। বহু ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করেও আমি স্বপ্ন দেখেছি, ওয়ার্ডবাসী সুযোগ দিলে অবশ্যই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করবো এবং দেখিয়ে দেবো আমরা নবীনরাও পারি। বয়স মূল কথা নয়, কাজের ইচ্ছা শক্তি ও সঠিক পরিকল্পনাই মূল কথা। যদি সঠিক পরিকল্পনা সামনে রেখে নিবেদিত প্রাণে কাজ করা যায়, তবেই সম্ভব। জনগণ আমার পরিবার। জনগণের দোয়া ও ভালবাসাই আমার চলার পথের পাথেয়।

ইতিপূর্বে সকল সময়ে ওয়ার্ডবাসীর সুখে-দু:খে ব্যক্তিগতভাবে সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ইউনিয়ন পরিষদে একটি চেয়ার থাকলে তখন সরকারী সকল সুবিধা মানুষের মাঝে সঠিক বন্টন করতে পারবো ইনশাল্লাহ। তাই ২নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে রুপান্তরিত করতে আগামী ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে টিউবওয়েল মার্কায় ভোট প্রদান করতে করজোড়ে অনুরোধ ও দোয়া চান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

জনগণ আমার পরিবার : একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন

Update Time : 08:44:16 am, Friday, 29 October 2021

মিরণ মোল্লা/ সৈয়দ রমজান, নড়াইল থেকে : জনগণ আমার পরিবার : একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন। আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১২নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন খন্দকার মঈন উদ্দীন। ২৭ অক্টোবর তিনি টিউবওয়েল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। টিউবওয়েল প্রতীক পেয়েই ওয়ার্ডের প্রতিটি সাধারণ মানুষের দুয়ারে দৌঁড়াচ্ছেন একটি ভোটের আশায়। চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা।

দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে খন্দকার মঈন উদ্দীন বলেন- জনগণ আমার পরিবার; জনগন সাথে থাকলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার চলার পথ থেমে যাবে না। আমি সকলের সাথে ছিলাম-আছি-থাকবো। যেমনটি একটি পরিবারের সদস্যরা থাকে।

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততোই গরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ। সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত – পথে ঘাটে চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। ওয়ার্ডবাসীর দাবি এবারের নির্বাচনে ইউনিয়নের নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে (ইউপি সদস্য) হিসেবে একজন সৎ-যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হোক। একজন সৎ-যোগ্য প্রার্থীর কোন বিকল্প নেই। ঘোষিত এবং অঘোষিত বিভিন্ন ধরনের সেবার মানসিকতা নিয়ে যারা সদস্য পদে পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তাদের মধ্যে সৎ-যোগ্য প্রার্থীর প্রতি মানুষের সমর্থন আরও উজ্জীবিত করবে বলে এলাকার বিজ্ঞজনেরা মন্তব্য করেছেন।

আসন্ন ১২ নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে (ইউপি সদস্য) পদে পদপ্রার্থী হয়েছেন ৫জন। এর মধ্যে বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ আজিম, সাবেক ইউপি সদস্য খান ইকবাল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য নিসারত সরদার, মো: আবু হানিফ এবং তরুণ সমাজসেবক ও মির্জাপুর বাজার বণিক সমিতির বার বার নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক খন্দকার মঈন উদ্দীন।

একান্ত সাক্ষাৎকারে কিছু প্রশ্নের মুখোমুখিতে খন্দকার মঈন উদ্দীন জানান, আমি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে প্রথম হস্তলিখিত সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম খন্দকার আব্দুল হাফিজ -এর দৌহিত্র এবং ১২নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত সুযোগ্য চেয়ারম্যান মরহুম খন্দকার আবুল কাশেম তারিক বিল্লাহ -এর ভাতিজা।

আমি আমি খন্দকার মঈন উদ্দীন নির্বাচনে নবীন। তবে ইতিহাসে সাক্ষী আছে যে- নবীনরাই ইতিহাস সৃস্টি করে। বহু ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করেও আমি স্বপ্ন দেখেছি, ওয়ার্ডবাসী সুযোগ দিলে অবশ্যই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করবো এবং দেখিয়ে দেবো আমরা নবীনরাও পারি। বয়স মূল কথা নয়, কাজের ইচ্ছা শক্তি ও সঠিক পরিকল্পনাই মূল কথা। যদি সঠিক পরিকল্পনা সামনে রেখে নিবেদিত প্রাণে কাজ করা যায়, তবেই সম্ভব। জনগণ আমার পরিবার। জনগণের দোয়া ও ভালবাসাই আমার চলার পথের পাথেয়।

ইতিপূর্বে সকল সময়ে ওয়ার্ডবাসীর সুখে-দু:খে ব্যক্তিগতভাবে সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ইউনিয়ন পরিষদে একটি চেয়ার থাকলে তখন সরকারী সকল সুবিধা মানুষের মাঝে সঠিক বন্টন করতে পারবো ইনশাল্লাহ। তাই ২নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে রুপান্তরিত করতে আগামী ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে টিউবওয়েল মার্কায় ভোট প্রদান করতে করজোড়ে অনুরোধ ও দোয়া চান তিনি।