7:31 am, Monday, 2 November 2026

বেসরকারি মেডিকেলে শূন্য আসন থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দফা ভর্তি কার্যক্রম নেই : হতাশ শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:58:33 pm, Tuesday, 27 May 2025
  • 195 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন এখনও শূন্য রয়েছে। অথচ এসব আসনের জন্য দ্বিতীয় দফা অনলাইন ভর্তি সার্কুলার এখনো প্রকাশ করা হয়নি, যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দাবি, শূন্য থাকা আসনগুলোতে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ না থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত দ্বিতীয় দফা ভর্তি সার্কুলার প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

তাদের মতে, বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে তিন শ্রেণির শিক্ষার্থী:

১. সেকেন্ড টাইমাররা, যারা দ্বিতীয়বারের মতো ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতায় প্রথমবার আবেদন করতে পারেননি।

২. নিশ্চায়ন না করা শিক্ষার্থীরা, যারা প্রথম দফায় একটি কলেজে সুযোগ পেয়েও সময়মতো ভর্তি নিশ্চায়ন করতে পারেননি। তারা এখনো ভর্তি হতে আগ্রহী, কিন্তু দ্বিতীয় কোনো সুযোগ না থাকায় হতাশ।

৩. ভুল কোটা বাছাই করা শিক্ষার্থীরা, যারা ভুলবশত দারিদ্র ও মেধাবী কোটায় আবেদন করেছেন, অথচ সাধারণ কোটায় আবেদন করলে হয়তো তারা ভর্তির সুযোগ পেতেন।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষগুলোতে একাধিকবার ভর্তি সার্কুলার প্রকাশ করা হয়েছে। যেমন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সর্বমোট তিনটি দফায় সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু এবছর একটি সার্কুলার দিয়েই ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় সার্কুলার না দেওয়ার বিষয়ে আগাম কোনো নির্দেশনাও ছিল না।

এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা শূন্য আসন থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় দফা ভর্তি সার্কুলার প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছেন। তা সম্ভব না হলে, সংশ্লিষ্ট তিন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ম্যানুয়ালি ভর্তির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের মতে, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাত থেকে রক্ষা করবে এবং দেশের চিকিৎসা শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও মানবিক করে তুলবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

বেসরকারি মেডিকেলে শূন্য আসন থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দফা ভর্তি কার্যক্রম নেই : হতাশ শিক্ষার্থীরা

Update Time : 06:58:33 pm, Tuesday, 27 May 2025

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন এখনও শূন্য রয়েছে। অথচ এসব আসনের জন্য দ্বিতীয় দফা অনলাইন ভর্তি সার্কুলার এখনো প্রকাশ করা হয়নি, যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দাবি, শূন্য থাকা আসনগুলোতে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ না থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত দ্বিতীয় দফা ভর্তি সার্কুলার প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

তাদের মতে, বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে তিন শ্রেণির শিক্ষার্থী:

১. সেকেন্ড টাইমাররা, যারা দ্বিতীয়বারের মতো ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতায় প্রথমবার আবেদন করতে পারেননি।

২. নিশ্চায়ন না করা শিক্ষার্থীরা, যারা প্রথম দফায় একটি কলেজে সুযোগ পেয়েও সময়মতো ভর্তি নিশ্চায়ন করতে পারেননি। তারা এখনো ভর্তি হতে আগ্রহী, কিন্তু দ্বিতীয় কোনো সুযোগ না থাকায় হতাশ।

৩. ভুল কোটা বাছাই করা শিক্ষার্থীরা, যারা ভুলবশত দারিদ্র ও মেধাবী কোটায় আবেদন করেছেন, অথচ সাধারণ কোটায় আবেদন করলে হয়তো তারা ভর্তির সুযোগ পেতেন।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষগুলোতে একাধিকবার ভর্তি সার্কুলার প্রকাশ করা হয়েছে। যেমন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সর্বমোট তিনটি দফায় সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু এবছর একটি সার্কুলার দিয়েই ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় সার্কুলার না দেওয়ার বিষয়ে আগাম কোনো নির্দেশনাও ছিল না।

এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা শূন্য আসন থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় দফা ভর্তি সার্কুলার প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছেন। তা সম্ভব না হলে, সংশ্লিষ্ট তিন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ম্যানুয়ালি ভর্তির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের মতে, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাত থেকে রক্ষা করবে এবং দেশের চিকিৎসা শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও মানবিক করে তুলবে।