
মোঃ ফারজুল ইসলাম, পীরগঞ্জ (রংপুর) থেকে : রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৯৮৭সালে তৎকালীন মিঠিপুর ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান মুসা আলী মন্ডল এলাকায় উচ্চ মধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে কলেজটি স্থাপন করেন। অবশ্য তার সহযোগী হিসেবে একবারপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক লুৎফর রহমান প্রধানসহ একাধিক মানুষজন একাজে সহযোগিতা করেছেন।
বর্তমানে কলেজটি ডিগ্রি পর্যায়ে উন্নতি লাভ করেছে। সরেজমিনে কলেজে গিয়ে দেখা যায় সুউচ্চ একাডেমিক ভবন চতুর্পাশের বাউন্ডারি ওয়াল, মাঠের একপাশে বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছের সমাহার যা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।
গত ৫ই মে ০২৪ অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম অবসরে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বায়জিদ মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পন করেন। গত ৫ই আগস্ট ০২৪ দেশের পটভূমি পরিবর্তন হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নিয়ে তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে বর্তমানে আরো দুইজন অধ্যক্ষ হওয়ার পথে বিভিন্ন দপ্তরে আনাগোনায় ব্যস্ত, কে হবে অধক্ষ্য?
বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৩৬০জন প্রশাসনিক জটিলতায় প্রায় চারমাস যাবৎ শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ এবং তিন মাস ধরে ৩৪জন শিক্ষক কর্মচারী বিলবেতন বন্ধ, গত ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৫৮জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহন করলে এর মধ্যে ৮৭জন পরিক্ষার্থী কৃতকার্য হয় বাকি ৭১অকৃতকার্য হয়।
অথচ দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ছিল শতকরা ৭৮জনের উর্দ্ধে সেই হিসেবে কলেজের পাশের হার ৪৫.৮২%। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সংঙ্গে কথা বলে যানা গেছে, প্রশাসনিক জটিলতায় আমাদের ক্লাস ও রুটিন মাফিক সাময়িক পরিক্ষাগুলো হচ্ছে না। এতে আমরা ভিষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। শিক্ষক কর্মচারিরাও সপ্তাহে ৩/৪দিন গিয়ে শুধুমাত্র হাজিরা খতায় স্বাক্ষর করে চলে যান।
এলাকার শিক্ষানুরাগী অভিভাবক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে কমলমতি শিক্ষার্থীরা কেন প্রশাসনিক জটিলতায় বলির পাঠা হবে। তারা এও বলেন প্রতিষ্ঠা কালীন সভাপতি সুযোগ্যপুত্র অত্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ মন্ডল তাকেও কোনো কাজে আমন্ত্রন জানানো হয় না বলে জানা গেছে। মাদারগঞ্জ কলেজের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে জোরদাবী করছেন এলাকাবাসী।।
Reporter Name 








