
আহমদ বিলাল খান : মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে ভাষার মর্যাদা দিয়ে গেছে। রক্তের বিনিময়ে পাওয়া ভাষা বিদেশি ভাষার দাপটে যেন ম্লান না হয়ে যায়। মাতৃভাষাকে চর্চা করা করা প্রত্যেক বাঙলি জাতির কর্তব্য বলে মন্তব্য করেন, দৈনিক গিরিদর্পন পত্রিকার সম্পাদক ও ভাষাসৈনিক এ.কে.এম মকছুদ আহমেদ।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২৪ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায়, খতমে কুরআন, মীলাদ-ক্বিয়াম ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভাষাসৈনিক মকছুদ আহমেদ বলেন, আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য একই সঙ্গে আনন্দ ও বেদনার দিন। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাঙালিকে আত্মহুতি দিতে হয়েছে। আজকে এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য গৌরবের। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর আমরা বাংলা ভাষাকে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারি নাই।
এখনো দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন হয়নি। তরুণ প্রজন্ম মনেপ্রাণে মাতৃভাষাকে লালন করতে পারছে না। মনে রাখতে হবে- বিদেশি ভাষার দাপটে আমাদে রক্তের বিনিময়ে পাওয়া ভাষা যেন ম্লান না হয়ে যায়। অফিস-আদালত বা সবক্ষেত্রে যেন চলে বাংলা, যাতে অক্ষুণ্ন থাকে নিজেদের ভাষার মর্যাদা।
তিনি আরো বলেন, ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দিনটি প্রতি বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয় মর্যাদার সঙ্গে। শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের সব পদক্ষেপে বাংলা ভাষার চর্চা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ইফা রাঙ্গামাটি জেলা’র উপ-পরিচালক জনাব মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইফা সদর উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার জনাব মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ভেদভেদি রিসোর্স সেন্টারের সাধারন কেয়ারটেকার মোঃ মিরাজ উদ্দিন। মিলাদ পরিচালনা করেন মুসলিম পাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদের ইমাম হেছাম উদ্দিন।
Reporter Name 







