
শাহরিয়ার মোরশেদ (সিরাজগঞ্জে) থেকে : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নওগাঁ হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহঃ) মাজার শরীফের অর্থ আত্মসাৎ করায় মোতওয়াল্লী আব্দুল হাই সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৫ /০২/২০২৪ তারিখে ওই মামলাটি সিরাজগঞ্জ আদালতে দায়ের করেছেন হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহঃ) মাজার শরীফের সহকারী মোতওয়াল্লী মোঃ ফরিদার রহমান। মাজার শরীফটি ওয়াকফ স্টেটের অন্তর্ভুক্ত। যার ইসি নং ১৪৩৫।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহঃ) মাজার শরীফের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা পয়সার হিসাব- নিকাশ নিয়ে মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও এলাকার প্রধান মাতব্বরদের সমন্বয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে বর্তমান মোতওয়াল্লী মো. আব্দুল হাই সরকার ১৯,১৫,০০০/= টাকার গড়মিল পরিলক্ষিত হয়। অর্থাৎ তিনি ওই পরিমান টাকার কোন হিসাব দিতে পারেন না। ফলে তিনি ওই পরিমান টাকা আত্মসাত করেছেন বলে প্রতীয়মান হয।
এ ছাড়াও আব্দুল হাই সরকার ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাস পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৪২ লক্ষ টাকার মধ্যে ৩৬ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। ১৯/০৬/২০২২ তারিখে পুকুর লীজের ১ লক্ষ টাকা ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেন।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে মাজারে দানকৃত একটি গরু বিক্রির ৩০ হাজার টাকা, ২০২২ সালে মাজারের ইট বিক্রি ৩৫ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা না করে আত্মসাৎ করেন।
এ ছাড়াও ২০২২ – ২০২৩ অর্থ বছরে ওয়াকফ স্টেট কর্তৃক নীরিক্ষায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ বহিতে গড়মিল পাওয়ার যায়। এ ছাড়াও আগস্ট ২০২৩ সাল হতে ২০/০১/৩০২৪ সাল পর্যন্ত আয়- ব্যয়ের কোন হিসাব অনুমোদন করা নাই।
মাজার শরীফের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে কমিটির সদস্য ও এলাকার প্রধান মাতব্বরগণ জিজ্ঞেসা করলে তিনি আত্মসাতকৃত অর্থ ফেরৎ দিতে সম্মতি জানান। কিন্তু তিনি পরবর্তিতে উক্ত টাকা ফেরৎ না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেন।
হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহঃ) মাজার শরীফের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে মোতওয়াল্লী মো. আব্দুল হাই সরকার অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার নিকট সকল ডকুমেন্টস আছে। আমি ডকুমেন্টসের আলোকে কথা বলবো। তাছাড়াও ইউএনও স্যার কমিটির সভাপতি। তার মাধ্যমেই সবকিছু হয়েছে।
Reporter Name 








