
রতন রায় অর্ঘ্য : কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার রাজমাল্লীর হাট ফাজিল মাদ্রাসার এক শিক্ষক দেড় বছর অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাদ্রাসায় ইবতেদায়ি সহকারী শিক্ষক পদে জেসমিন নাহার যোগদান করেন। এর পর প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি অনুপস্থিত। অভিযোগ রয়েছে, চাকরি টিকিয়ে রাখতে তাঁকে বেতনের একটি অংশ অধ্যক্ষকে দিতে হয়। তবে অধ্যক্ষ টাকার ভাগ নেওয়ার দায় চাপিয়েছেন কমিটির টিআর সদস্য ও শিক্ষক মিজানুর রহমানের ওপর। এ প্রসঙ্গে শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আগের কমিটি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানাবেন।
মাদ্রাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য জোবেদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হাজিরা খাতা ঘেটে দেখা গেছে, সহকারী শিক্ষক জেসমিন নাহার দেড় বছরের স্বাক্ষর
করেননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনসুর আলী তাঁকে জানান, ওই শিক্ষক হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের নিয়মিত ছাত্রী। এ কারণে তিনি অনুপস্থিত আছেন। তাঁর পরিবর্তে বদলি শিক্ষক নেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়, যা ওই শিক্ষকের বেতন থেকে কেটে রাখা হয়। বিষয়টি জানার পর ওই শিক্ষকের বেতন বন্ধ ও তাঁকে শোকজ করতে বলা হয়।
শিক্ষক জেসমিন নাহার জানান, এইচএসসি পাসের সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। ২০২২ সালে তাঁর অনার্স শেষ হয়েছে। হাজী দানেশে মাস্টার্সে অধ্যয়নের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
মাদ্রাসার সহসভাপতি ও উমর মজিদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আহসানুল কবির আদিল বলেন, পরিচালনা কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Reporter Name 








