2:54 am, Tuesday, 3 November 2026

রামপালে গলায় দড়ি দিয়ে এসএসসি পরীক্ষারর্থীর আত্মহত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:52:52 pm, Tuesday, 6 February 2024
  • 34 Time View

সরদার মহিদুল ইসলাম, রামপাল (বাগেরহাট) থেকে : তামান্না (১৮) নামের এক এস এস সি পরীক্ষার্থী আজ বেলা এগারটার সময় বাগেহাটের রামপাল উপজেলার রাজ নগর ইউনিয়নের কালিকা প্রসাদ গ্রামে স্বামীর বাড়ীতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত্যা করেছে।

নিহত তামান্না একই উপজেলার কাপাস ডাঙ্গা গ্রামের শহীদুলের মেয়ে। রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বশুর নিয়ামত শেখের সাথে কথা বললে তিনি বলেন “বৌ মাকে তার রুমের মধ্যে বই পড়তে দেখে বিলে কাজে গিয়েছিলাম, গলায় দড়ি দেয়ার খবর শুনো হাসপাতালে এসে মৃত দেখলাম। আগে পরের কোনো সমস্যাই কোনো দিন দেখিনি।” মৃতের মায়ের মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ” আমার কোলের সোনাকে আমি বাড়ী নিয়ে যাব,আমি কিছুই করব না।”

প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকগন বলেন বেলা আড়াইটার পরপরই রুগীকে তার স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন, আমরা পরীক্ষা নীরিক্ষা করেছি,দেখলাম বেঁচে নাই।”

রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানা প্রশাসনের কোনো সোর্স এসে পৌছায়নি। তবে খোজ নিয়ে জানা গেছে পোস্ট মর্টেমের প্রস্তুতি চলছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

রামপালে গলায় দড়ি দিয়ে এসএসসি পরীক্ষারর্থীর আত্মহত্যা

Update Time : 07:52:52 pm, Tuesday, 6 February 2024

সরদার মহিদুল ইসলাম, রামপাল (বাগেরহাট) থেকে : তামান্না (১৮) নামের এক এস এস সি পরীক্ষার্থী আজ বেলা এগারটার সময় বাগেহাটের রামপাল উপজেলার রাজ নগর ইউনিয়নের কালিকা প্রসাদ গ্রামে স্বামীর বাড়ীতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত্যা করেছে।

নিহত তামান্না একই উপজেলার কাপাস ডাঙ্গা গ্রামের শহীদুলের মেয়ে। রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বশুর নিয়ামত শেখের সাথে কথা বললে তিনি বলেন “বৌ মাকে তার রুমের মধ্যে বই পড়তে দেখে বিলে কাজে গিয়েছিলাম, গলায় দড়ি দেয়ার খবর শুনো হাসপাতালে এসে মৃত দেখলাম। আগে পরের কোনো সমস্যাই কোনো দিন দেখিনি।” মৃতের মায়ের মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ” আমার কোলের সোনাকে আমি বাড়ী নিয়ে যাব,আমি কিছুই করব না।”

প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকগন বলেন বেলা আড়াইটার পরপরই রুগীকে তার স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন, আমরা পরীক্ষা নীরিক্ষা করেছি,দেখলাম বেঁচে নাই।”

রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানা প্রশাসনের কোনো সোর্স এসে পৌছায়নি। তবে খোজ নিয়ে জানা গেছে পোস্ট মর্টেমের প্রস্তুতি চলছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি।