8:54 am, Monday, 2 November 2026

আজ ২৮শে অক্টোবর শনিবার রাতে ৮ টা সময় লক্ষী পুজা

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:41:34 am, Saturday, 28 October 2023
  • 46 Time View

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুইয়া। পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন নিধুরাম ভুইয়া পরিবারের আশ্বিন মাসের শেষে পুর্ণিমা তিথিতে, লক্ষীপুজা আরাধনা করা হয়।আজই সেই দিন। পুর্ণিমার রাতে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন দেবী লক্ষী।

 

এই কারণে বলাহয় শরৎ পুর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষীপুজো সন্ধ্যার দিকে করা শুভ।বাংলার কৃষি সমাজের সঙ্গে সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে কোজাগরী লক্ষীপুজো।পুজোর উপকরণ আর আচার,অনুষ্ঠানে তা স্পষ্ট।লক্ষীর পাঁচালি ছাড়া যেমন দেবীর পুজো হয় না।তেমনই পুজোর ফলমূলের সঙ্গে চিড়ে ও নারকেল প্রয়োজন তা ছাড়া আলপনায় থাকতে হবে ঝাঁপির ছবি।লক্ষ্মীর পটচিত্রেও শস্যের ছবি থাকে।

 

আশ্বিন পূর্ণিমা ছাড়াও শস্য সম্পদের দেবীকে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি, চৈত্র সংক্রান্তি এবং দীপাবলীতে পুজো করা হয়। উল্লেখ্য, শরৎকালের লক্ষ্মীপুজো কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো নামে খ্যাত। এই পুজোয় রাত জাগার নিয়ম রয়েছে। ‘কঃ’ শব্দের অর্থ হল কে, আর ‘জাগর’ শব্দের অর্থ হল জেগে আছে। অর্থাৎ ‘কে জেগে আছে’? মনে করা হয় যে, লক্ষ্মীপুজোর দিন রাত পর্যন্ত জাগলে সেই বাড়িতে লক্ষ্মীদেবী প্রবেশ করেন।

 

যাঁরা তাঁকে রাত পর্যন্ত জেগে আরাধনা করেন, দেবী তাঁদের আশীর্বাদ করেন। মনে করা হয়, এদিন রাতে দেবী স্বর্গ থেকে নেমে আসেন। শাস্ত্র মতে লক্ষ্মীর আসার সময় যে বাড়ির গৃহস্থরা ঘুমিয়ে থাকেন, সেখান থেকে মুখ ফেরান দেবী।কোজাগরী লক্ষ্মী পূজোয় ফলের বাজারে আগুন ,,ক্রেতারা বিপাকে।

 

আজ ২৭শে অক্টোবর শুক্রবার, রাত পোহালেই লক্ষ্মীপূজো ঘরে ঘরে, এদিকে ক্রেতারা বাজারে ঠাকুর থেকে শুরু করে ফল মূল কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন, কারণ সমস্ত জিনিসের চড়া দাম। তবুও তারা লক্ষ্মীকে ঘরে আনার জন্য সামর্থ মত জিনিস কেনার চেষ্টা করছেন।

 

ক্রেতারা জানান সমস্ত কিছুই পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু হাত দেওয়ার উপায় নাই ঠাকুর থেকে শুরু করে সমস্ত রকম ফুল ও ফল এর দাম এতটাই চড়া যে আমাদের বাজেটে কুলাচ্ছে না।, আপেল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি, বেদানা ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, ফুলের মালা পার পিস কুড়ি টাকা থেকে শুরু।

 

নাশপাতি দেড়শ টাকা কেজি, ডাব ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পার পিস, ঠাকুর ৫০০ টাকা থেকে শুরু, আগের বাড়ি যে ঠাকুর আমরা কিনেছিলাম আড়াইশো টাকা সেই ঠাকুর গড়ে হয়েছে 500 থেকে 600 টাকা, ফলে আমরা কিনতে এসে অনেকটাই বিপাকে পড়ছি, বাজারে ভিড় করে ক্রেতারা যেমন রয়েছে, তেমনি বিক্রেতারাও পসরা সাজিয়ে বসে আছে, কিন্তু ক্রেতাদের কেনার সামর্থ্য সেই মতো নায়, কারণ দুর্গা পুজোর পরেই লক্ষ্মীপুজো এমনিতেই হাতে টান, তবুও লক্ষ্মীকে ঘরে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন কোনোভাবে পুজোর সারার, তার উপর এতটাই চড়া দাম যেটুকু করার ইচ্ছে সেটাও করা সম্ভব হচ্ছে না, তাই নমো নমো করে সারতে হবে, এদিকে পুরোহিতেরাও পুজো করার জন্য দক্ষিণা অনেক চাইছেন সব মিলিয়ে আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

আজ ২৮শে অক্টোবর শনিবার রাতে ৮ টা সময় লক্ষী পুজা

Update Time : 11:41:34 am, Saturday, 28 October 2023

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুইয়া। পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন নিধুরাম ভুইয়া পরিবারের আশ্বিন মাসের শেষে পুর্ণিমা তিথিতে, লক্ষীপুজা আরাধনা করা হয়।আজই সেই দিন। পুর্ণিমার রাতে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন দেবী লক্ষী।

 

এই কারণে বলাহয় শরৎ পুর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষীপুজো সন্ধ্যার দিকে করা শুভ।বাংলার কৃষি সমাজের সঙ্গে সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে কোজাগরী লক্ষীপুজো।পুজোর উপকরণ আর আচার,অনুষ্ঠানে তা স্পষ্ট।লক্ষীর পাঁচালি ছাড়া যেমন দেবীর পুজো হয় না।তেমনই পুজোর ফলমূলের সঙ্গে চিড়ে ও নারকেল প্রয়োজন তা ছাড়া আলপনায় থাকতে হবে ঝাঁপির ছবি।লক্ষ্মীর পটচিত্রেও শস্যের ছবি থাকে।

 

আশ্বিন পূর্ণিমা ছাড়াও শস্য সম্পদের দেবীকে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি, চৈত্র সংক্রান্তি এবং দীপাবলীতে পুজো করা হয়। উল্লেখ্য, শরৎকালের লক্ষ্মীপুজো কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো নামে খ্যাত। এই পুজোয় রাত জাগার নিয়ম রয়েছে। ‘কঃ’ শব্দের অর্থ হল কে, আর ‘জাগর’ শব্দের অর্থ হল জেগে আছে। অর্থাৎ ‘কে জেগে আছে’? মনে করা হয় যে, লক্ষ্মীপুজোর দিন রাত পর্যন্ত জাগলে সেই বাড়িতে লক্ষ্মীদেবী প্রবেশ করেন।

 

যাঁরা তাঁকে রাত পর্যন্ত জেগে আরাধনা করেন, দেবী তাঁদের আশীর্বাদ করেন। মনে করা হয়, এদিন রাতে দেবী স্বর্গ থেকে নেমে আসেন। শাস্ত্র মতে লক্ষ্মীর আসার সময় যে বাড়ির গৃহস্থরা ঘুমিয়ে থাকেন, সেখান থেকে মুখ ফেরান দেবী।কোজাগরী লক্ষ্মী পূজোয় ফলের বাজারে আগুন ,,ক্রেতারা বিপাকে।

 

আজ ২৭শে অক্টোবর শুক্রবার, রাত পোহালেই লক্ষ্মীপূজো ঘরে ঘরে, এদিকে ক্রেতারা বাজারে ঠাকুর থেকে শুরু করে ফল মূল কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন, কারণ সমস্ত জিনিসের চড়া দাম। তবুও তারা লক্ষ্মীকে ঘরে আনার জন্য সামর্থ মত জিনিস কেনার চেষ্টা করছেন।

 

ক্রেতারা জানান সমস্ত কিছুই পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু হাত দেওয়ার উপায় নাই ঠাকুর থেকে শুরু করে সমস্ত রকম ফুল ও ফল এর দাম এতটাই চড়া যে আমাদের বাজেটে কুলাচ্ছে না।, আপেল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি, বেদানা ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, ফুলের মালা পার পিস কুড়ি টাকা থেকে শুরু।

 

নাশপাতি দেড়শ টাকা কেজি, ডাব ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পার পিস, ঠাকুর ৫০০ টাকা থেকে শুরু, আগের বাড়ি যে ঠাকুর আমরা কিনেছিলাম আড়াইশো টাকা সেই ঠাকুর গড়ে হয়েছে 500 থেকে 600 টাকা, ফলে আমরা কিনতে এসে অনেকটাই বিপাকে পড়ছি, বাজারে ভিড় করে ক্রেতারা যেমন রয়েছে, তেমনি বিক্রেতারাও পসরা সাজিয়ে বসে আছে, কিন্তু ক্রেতাদের কেনার সামর্থ্য সেই মতো নায়, কারণ দুর্গা পুজোর পরেই লক্ষ্মীপুজো এমনিতেই হাতে টান, তবুও লক্ষ্মীকে ঘরে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন কোনোভাবে পুজোর সারার, তার উপর এতটাই চড়া দাম যেটুকু করার ইচ্ছে সেটাও করা সম্ভব হচ্ছে না, তাই নমো নমো করে সারতে হবে, এদিকে পুরোহিতেরাও পুজো করার জন্য দক্ষিণা অনেক চাইছেন সব মিলিয়ে আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়ছে।