7:47 pm, Monday, 2 November 2026

লোহাগড়ায় বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় গড়ে তুলেছে বাজার সিন্ডিকেট

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:06:29 pm, Sunday, 8 October 2023
  • 31 Time View

মোঃ রাশেদুল ইসলাম, লোহাগড়া (নড়াইল) থেকে : নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার সিন্ডিকেটের কবলে দ্রব্যমুল্যের বাজার। সরকারি পক্ষ থেকে বাজারের দ্রব্যমুল্যের লাগাম টেনে ধরার নানা পদক্ষেপ গ্রহন করলেও কিছুতেই অসাধু মুনাফালোভি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবল থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এমনকি সরকারি ঘোষণাকে থোড়াই কেয়ার করে এসব অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সকল নিত্যপণ‍্য, যে কারনে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে এবং তাদের বোবা কান্নার শেষ হচ্ছেনা। ফলে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের লাগামহীনভাবে ইচ্ছে মতো জিনিসপত্রের দামের কারণেক্রমেই মানুষের নিত্যপণ‍্য জিনিস ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যে কারনে উপজেলার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে বিলাপ করা ছাড়া কোন উপায় পাচ্ছেনা।

একদিকে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সরকারি আদেশকে যেমন বৃদ্ধাংগুল দেখাচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা লুটে নিচ্ছে কৌশলে।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলুর মূল্য এক এক বাজারে এক এক ধরনের, কোথাও ৬০টাকা কেজি আবার কোথাও ৫০ টাকা কেজি, কোথাও ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা মরিচের কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা, সকালে ২৫০ টাকা কেজি বিকালে ৩০০ টাকা কেজি,পেয়াজ ১০০, ডিম হালি ৫৫, এমনি ভাবে সিন্ডিকেট করে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা হচ্ছে কোটিপতি আর নিন্মবিত্তের অবস্থা নাজেহাল।

লক্ষীপাশা বাজার তো ডাকাতি করছে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ‍্য এক এক দোকানে এক এক রকমের মুল্য বিক্রি করা হচ্ছে যে কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিৎ লোহাগড়ার প্রতিটি বাজার কঠোরভাবে মনিটরিং করা এবং অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা।

লোহাগড়া বাজারে বাজার করতে আসা মোঃহায়দার জানান, গত দুইদিন আগে কাঁচা মরিচ কিনেছি ১০০ টাকা কেজি, এখন সেই মরিচ কিনতে হচ্ছে ২৫০টাকা কেজি আর অন্য জিনিসের দামের তো কথা তো বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিছুদিন আগেও নিত‍্য পণ‍্যের মূল্য এমন লাগামহীন ছিলনা, যা কিনেছি ১০০টাকায় সে জিনিসের মুল্য এখন ৪০০টাকা।

সরকার দাম নিধারণ করায় তারা আরো মূল বাড়িয়ে দিয়েছে।

নামপরিচয় না প্রকাশের শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের যেমন ভাবে মাল কিনতে হয় তেমন ভাবে বিক্রি করতে হয়। সরকার আলু ৩৬ টাকা মূল্য বেঁধে দিলেও আপনি ৫০ টাকা কেন বিক্রি করছেন? তার উত্তরে ব্যবসায়ী জানান, আমার কিছু করার নেই, বড় বড় আড়ৎদারের কাছ থেকে যেমন দামে কিনে আনবো তেমনই তো বিক্রি করবো, এখানে আমার দোষ কোথায়? এমন অভিযোগ অনেক খুচরা বাজারের বিক্রেতাদের থাকলেও বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় যার যেমন সে তেমনভাবে গড়ে তুলেছেন বাজার সিন্ডিকেট। ফলে, সেই কবলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

জরুরি ভাবে বাজার মনিটরিং সহ নিত্যপণ‍্য জিনিসের মূল্য নির্ধারণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে সচেতন ক্রেতারা বলেন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে না।, অনিয়ম পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে, না। নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান হলে সব কিছু সাধারণ মানুষের ক্রয়ের মধ্যে থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে উত্তাল গোয়াইনঘাট : বিএনপি নেতা স্টেলিং তারিয়াংয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মানববন্ধনের ঘোষণা

লোহাগড়ায় বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় গড়ে তুলেছে বাজার সিন্ডিকেট

Update Time : 01:06:29 pm, Sunday, 8 October 2023

মোঃ রাশেদুল ইসলাম, লোহাগড়া (নড়াইল) থেকে : নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার সিন্ডিকেটের কবলে দ্রব্যমুল্যের বাজার। সরকারি পক্ষ থেকে বাজারের দ্রব্যমুল্যের লাগাম টেনে ধরার নানা পদক্ষেপ গ্রহন করলেও কিছুতেই অসাধু মুনাফালোভি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবল থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এমনকি সরকারি ঘোষণাকে থোড়াই কেয়ার করে এসব অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সকল নিত্যপণ‍্য, যে কারনে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে এবং তাদের বোবা কান্নার শেষ হচ্ছেনা। ফলে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের লাগামহীনভাবে ইচ্ছে মতো জিনিসপত্রের দামের কারণেক্রমেই মানুষের নিত্যপণ‍্য জিনিস ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যে কারনে উপজেলার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে বিলাপ করা ছাড়া কোন উপায় পাচ্ছেনা।

একদিকে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সরকারি আদেশকে যেমন বৃদ্ধাংগুল দেখাচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা লুটে নিচ্ছে কৌশলে।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলুর মূল্য এক এক বাজারে এক এক ধরনের, কোথাও ৬০টাকা কেজি আবার কোথাও ৫০ টাকা কেজি, কোথাও ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা মরিচের কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা, সকালে ২৫০ টাকা কেজি বিকালে ৩০০ টাকা কেজি,পেয়াজ ১০০, ডিম হালি ৫৫, এমনি ভাবে সিন্ডিকেট করে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা হচ্ছে কোটিপতি আর নিন্মবিত্তের অবস্থা নাজেহাল।

লক্ষীপাশা বাজার তো ডাকাতি করছে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ‍্য এক এক দোকানে এক এক রকমের মুল্য বিক্রি করা হচ্ছে যে কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিৎ লোহাগড়ার প্রতিটি বাজার কঠোরভাবে মনিটরিং করা এবং অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা।

লোহাগড়া বাজারে বাজার করতে আসা মোঃহায়দার জানান, গত দুইদিন আগে কাঁচা মরিচ কিনেছি ১০০ টাকা কেজি, এখন সেই মরিচ কিনতে হচ্ছে ২৫০টাকা কেজি আর অন্য জিনিসের দামের তো কথা তো বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিছুদিন আগেও নিত‍্য পণ‍্যের মূল্য এমন লাগামহীন ছিলনা, যা কিনেছি ১০০টাকায় সে জিনিসের মুল্য এখন ৪০০টাকা।

সরকার দাম নিধারণ করায় তারা আরো মূল বাড়িয়ে দিয়েছে।

নামপরিচয় না প্রকাশের শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের যেমন ভাবে মাল কিনতে হয় তেমন ভাবে বিক্রি করতে হয়। সরকার আলু ৩৬ টাকা মূল্য বেঁধে দিলেও আপনি ৫০ টাকা কেন বিক্রি করছেন? তার উত্তরে ব্যবসায়ী জানান, আমার কিছু করার নেই, বড় বড় আড়ৎদারের কাছ থেকে যেমন দামে কিনে আনবো তেমনই তো বিক্রি করবো, এখানে আমার দোষ কোথায়? এমন অভিযোগ অনেক খুচরা বাজারের বিক্রেতাদের থাকলেও বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় যার যেমন সে তেমনভাবে গড়ে তুলেছেন বাজার সিন্ডিকেট। ফলে, সেই কবলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

জরুরি ভাবে বাজার মনিটরিং সহ নিত্যপণ‍্য জিনিসের মূল্য নির্ধারণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে সচেতন ক্রেতারা বলেন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে না।, অনিয়ম পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে, না। নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান হলে সব কিছু সাধারণ মানুষের ক্রয়ের মধ্যে থাকবে।