
মোঃ সুজন আহাম্মেদ : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরা কারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীরা। রাজশাহীর-গোদাগাড়ী সীমান্ত পথ দিয়ে আসছে মাদকের বড় চালান। ঈদকে সামনে রেখে মজুদ বাড়াতে সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীরা।গোদাগাড়ীতে প্রতিদিন ভারত থেকে কয়েক কোটি টাকার হেরোইন, ফেন্সিডিল, গাঁজা ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ আসার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় তা সরবরাহ হচ্ছে।
বর্তমানে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার মাদক ব্যবসায়ী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদক পাচারে সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানায়, মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে গোদাগাড়ীর বিয়ানাবোনা, সাহেবনগর, মানিকচক, কোদালকাটি, আলাতুলি বগচর, হাকিমপুর, সুইজগেট, কামারপাড়া, সুলতানগঞ্জ, সারাংপুর, ভগবন্তপুর, হাটপাড়া, বারুইপাড়া, রেলবাজার, মাদারপুর, মাটিকাটা, সিএন্ডবি আঁচুয়া, গড়ের মাঠ, রেলগেট বাইপাস, বিদিরপুর, প্রেমতলী, ফরাদপুর, রাজাবাড়ী, খরচাকা, নির্মলচর, গহমাবোনা সীমান্ত ব্যবহৃত হচ্ছে।
এসব সীমান্ত এলাকা দিয়ে ফেন্সিডিল, মদ ও গাঁজা আসলেও গোদাগাড়ী সীমান্ত পথ গুলো দিয়ে হেরোইন প্রবেশ করে বেশি। হেরোইনের বড় চালান নিয়ে আসার পর সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে ভাগবাটোয়ারা হয়ে নতুন নতুন কৌশলে পাচার করা হয়। হেরোইন বহনে ব্যবহার করা হচ্ছে নারী ও শিশুদের।
গোদাগাড়ী সীমান্তে শুধু হেরোইন পাচারের সঙ্গে ৫ শতাধিক চোরাচালানি জড়িত রয়েছেএবং ফেন্সিডিল পাচারে ৫হাজারেরও বেশি চোরাচালানি জড়িত আছে বলে জানা যায় । এরা অল্প সময়ের ব্যবধানে কোটিপতি হয়েছে।
হেরোইনের খনি হিসেবে পরিচিত গোদাগাড়ীতে পাইকারি ছাড়াও খুচরাভাবে হেরোইন বিক্রি হয়। হেরোইন ও ফেন্সিডিলের সঙ্গে জড়িতরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা না হয় এজন্য পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।
গোদাগাড়ী থানা পুলিশের পরোক্ষ মদতে মাদক কারবারিরা বেশি সক্রিয় বলে জানা গেছে। গোপন সুত্রে যানা যায় একক ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক ১০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোহারা নেওয়ার কারণে মুলহোতারা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে। মাঝে মাঝে চুনোপুঁটিসহ কিছু মাদক কারবারিকে আটক করেন থানা পুলিশ তবে তা আইওয়াশ মাত্র। এই গোদাগাড়ী সীমান্তের মাদকের বড় চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে আটক হয়। অথচ গোদাগাড়ী থানা সেই চালান ধরতে ব্যার্থ।
Reporter Name 








