
মোঃ রমজান আলী উপজেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার অনুপস্থিতিতে ওএমএস”র চাল-আটা বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালা ভঙ্গ করে ওএমএস ডিলারগণ এই চাল আটা বিক্রয়ের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর পৌর এলাকার চারটি স্পটে চারজন ডিলারের মাধ্যমে খোলা বাজারে ওএমএস’র চাল-আটা বিক্রি শুরু হয়েছে।
প্রতি ডিলারকে প্রতিদিন এক হাজার কেজি চাল ও এক হাজার কেজি আটা বরাদ্দ দিয়ে জনপ্রতি ৫ কেজি বিক্রির শর্তে চাল ৩০ টাকা ও আটা ১৮ টাকা দরে এবং প্রতিজন ক্রেতাকে স্বাক্ষর বা টিপসহি নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বাজারে চাল ও আটার দাম বেশি থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারদের অনুপস্থিতির সুযোগে অসাধু ডিলারগণ সমুদয় চাল ও আটা নির্দিষ্ট নিয়মে বিক্রি না করে মাস্টার রুলের খাতায় নিজে ক্রেতার স্বাক্ষর ও টিপ সহি ব্যবহার করে মালামালের স্টক দেখিয়ে থাকেন।
পরে ওই সব মালামাল সিন্ডিকেটের কাছে কালো বাজারে বিক্রি করে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। সরেজমিনে কলেজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত ওএমএস ডিলার মোঃ আতিয়ার গাজী বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, লাইন ধরে চাল-আটা ক্রয় করছেন ক্রেতারা।এরই ভিতরে ডিলার নিজে এক ক্রেতাকে দিয়ে অধিক স্থানে টিপসহি করিয়ে নিচ্ছেন। জনমনে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি কালো বাজারে বরাদ্দকৃত চাল আটা বিক্রির মাষ্টার রুলের খাতা সঠিক করছে। এমনও প্রশ্ন এলাকাবাসীর। ওদিকে বাকি ডিলার কেন্দ্রে সকাল ১১-১২ টা না বাজতেই কার্যক্রম শেষ।
যেখানে প্রতি একজন ক্রেতার চাহিদা মোতাবেক চাল আটা দিতে এক মিনিট সময় ধরলেও সর্বনিম্ম ৩ থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা সময় লাগে, আর সেখানে ২ ঘন্টার ভিতরে ডিলার তার নির্ধারিত স্টক শেষ করে দিচ্ছে।
Reporter Name 








