

নড়াইল প্রতিনিধি : বিছালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ। নড়াইলের সদর উপজেলার ১২ নং বিছালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সী ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সী ইমরান হোসেন বলেন, সাম্প্রতি ক্রাইম নিউজ২৪ নামে একটি অনলাইনে “নড়াইলে থানায় জিডি করে বিপাকে একটি অসহায় পরিবার” শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদে আমাকে একটি বাহিনীর প্রধান উল্লেখ করে মির্জাপুর গ্রামের চিহ্নিত সন্ত্রাস, অস্ত্রবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, প্রতারক, হত্যা মামলার আসামী সহ একাধিক মামলার আসামি উল্লেখ করা হয়। যা সম্পূর্ণ বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীতও বটে।
একটি মহল আমাকে, আমার পরিবার এবং আমাক রাজনৈতিকভাবে সুনাম- জনপ্রিয়তা ক্ষুন্ন করতে আওয়ামী সরকার বিরোধী এলাকার একটি মহল সাংবাদিকদকে মিথ্যা ও ভূল তথ্য প্রদান করে উক্ত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমি এর তীব্র নীন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মুন্সী ইমরান হোসেন আরো বলেন, প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আমি ১২ নং বিছালী ইউনিয়ন যুবলীগের টানা ২বারের সাধারণ সম্পাদক। আমার বাবা মরহুম ছাকলাইন মুন্সী (জিন্নাহ) সরকারী বন বিভাগের একজন সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। মির্জাপুরে তার সুনাম আজও বিরাজমান। এছাড়া আমি একজন সরকারী ডিলার এবং ব্যবসায়ীও বটে। নড়াইলে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তো দূরের কথা আমার বিরুদ্ধে একটিও চাঁদাবাজি, হত্যা মামলা, মাদক মামলাসহ কোনো অপরাধের একটি মামলার প্রমাণ নেই।
আমি উক্ত সংবাদ দেখে প্রতিবেদকে ফোন করি। তিনি আমাকে চেনেননা ও কোনো হত্যা বা অস্ত্র ও চাঁদাবাজি মামলার কাগজ নেই বলে জানান অথচ সংবাদ প্রকাশের পূর্বে আমার বক্তব্য পর্যন্ত নেয়নি। যা তথ্য প্রযুক্তি আইন ও ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা আইনের পরিপন্থী। আমি ভবিষ্যতে এহেন মিথ্যা তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করছি।
এছাড়াও উক্ত সংবাদে আমার সহযোগী হিসেবে সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করে আমার ভাই মৎস ঘের ব্যবসায়ী জায়েদ মুন্সী ও তার শ্বশুর সাবেক সেনাবাহিনীর সদস্য আল ফয়সাল নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যা নিছক উদ্দেশ্য প্রণোদীত ও সুনাম ক্ষুন্নের অপচেষ্টা মাত্র।
Reporter Name 








