সাইয়্যেদ মুহাম্মদ শান্তঃ পঞ্চগড়ে ৪৮ থেকে ৫০কেজিতে মণ, এবারও জিম্মি আমচাষিরা
গত বছরে আমের ফলন কম হলেও এইবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাত পঞ্চগড়ের তুলনামূলক ফলন ভালো হয়েছে। গত বছরে লোকসান পুষিয়ে এবার ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছে আম চাষিরা। তবে বিগত বছরগুলোর ন্যায় এবারও আড়ৎদারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের সবচেয়ে বড় কানসাট আমবাজারে আমচাষিদের জিম্মি করে ৪৮ থেকে ৫০ কেজিতে এক মণ হিসেবে বিক্রি করতে বাধ্য করা হচ্ছে তাদের। আর বাড়তি কেজিতে আম বিক্রি না করলে চাষিদের কাছ থেকে কেনাও বন্ধ করে দিচ্ছেন তারা। এক মণ আমে ৮ থেকে ১০ কেজি বেশি নেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। খোঁজ নিয়ে একই চিত্রের কথা জানা গেছে,পঞ্চগড় শহরের কদমতলা আম বাজারে।
কদমতলা মেসার্স সূচনা ফল ভান্ডার বলেন,গত কয়েক বছর ধরে আমের মণের ওজনের পরিমাণ বাড়তেই আছে। এক প্রকার জিম্মি করেই ৪৮ থেকে কেজিতে মণ হিসাবে আম কিনছেন আড়ৎদাররা। বেশি ওজনে আম বিক্রি করতে না চাইলে পুরো সিন্ডিকেট কেনা বন্ধ করে দেয়। তাই নিরুপায় হয়ে আমাদের আম বিক্রি করতে হয়।
পঞ্চগড় বাজারের আরেক আম বিক্রেতা নুর ইসলাম বলেন, ২০২২ সালের আগে আমরা ৪৪ থেকে ৪৬ কেজিতে মণ ধরে বিক্রি করেছি। কিন্তু ২০২২ সালে হঠাৎ করেই ৪৮ কেজিতে মণ ধরে আম কেনেন আড়ৎদাররা। সেই থেকে বছর বছর ওজন বাড়ছে। চলতি বছর ৪৮ থেকে ৫০ কেজিতে মণ ধরে আম কিনছেন। আমরা এখন বিপাকে পড়েছি।
পঞ্চগড়ের ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব বলেন, আমরা কষ্ট করে আম উৎপাদন করি। কিন্তু আড়ৎদাররা মণে ৮ থেকে ১০ কেজি আম বেশি নিচ্ছেন। এ অনিয়ম বিগত কয়েক বছর থেকেই চলছে। আমরা এ সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্তি চাই। মণ প্রতি ৮ থেকে ১০ কেজি বেশি ধরে যে অতিরিক্ত আম নেওয়া হয়, তার বাজারমূল্য অন্তত ৪০০ টাকা বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার আছিফুর রহমান তোতা
ঢাকা কার্যালয় : সেক্টর-০৫, রোড-০১, বাড়ি-৩৫ (২য় তলা), উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল : ০১৯৪৩-৬৮৩০২৭, ০১৯৪৬-৯৬২৭১৮, ই-মেইল: newsmanobadhikarprotidin@gmail.com, manobadhikarprotidin@gmail.com, ওয়েবসাইট : manobadhikarprotidin.com