
মোঃ মাসুদ রানা : নীলফামারী সদরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোকনুজ্জামানকে জখমের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায় রোকনুজ্জামান প্রামাণিক (৩৭), পিতা- মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক, সাং- চড়াইখোলা বাবরীঝাড়, (প্রামাণিকপাড়া) থানা ও জেলা নীলফামারী। থানায় হাজির হইয়া আসামী ১। মোঃ আনোয়ার প্রামাণিক (৪০), ২। মোঃ ডাবলু প্রামাণিক (৫০), ৩। মোঃ রায়হান প্রামাণিক (৩৮), সর্ব পিতা- মৃতঃ সামছুল হক প্রামাণিক, ৪। সাত্তার প্রামাণিক (৭০), পিতা- মৃতঃ ছফর উদ্দিন প্রামাণিক, ৫। মোঃ নাহিদ প্রামাণিক (৩৫), পিতা- মৃতঃ আশরাফ উদ্দিন প্রমাণিক, ৬। মোঃ তৌহিদ প্রামাণিক (৩০), পিতা- আলী হোসেন প্রামাণিক, ৭। মোছাঃ নাহার বেগম (৪৫), স্বামী- মৃতঃ আশরাফ উদ্দিন প্রামাণিক, ৮। মোছাঃ হাসিনা বেগম (৪০), স্বামী- আলী হোসেন প্রামাণিক, ০৯। মোঃ ফরিদ হোসেন প্রামাণিক (৩০), পিতা- মোঃ সাত্তার হোসেন প্রামাণিক, সর্ব সাং- চড়াইখোলা বাবরীঝাড়, (প্রামাণিকপাড়া) থানা ও জেলা নীলফামারীগণের বিরুদ্ধে এই মর্মে কম্পিউটার কম্পোজকৃত অভিযোগ দায়ের করে যে, উপরোক্ত আসামীগণ আমার জ্ঞাতী গোষ্ঠি হয়। আসামীগণের সহিত আমার জমি জমার বিষয় নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলিয়া আসছে।
উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আমি ৮নং আসামীর স্বামীসহ আরো কতককে প্রতিপক্ষ শ্রেণীভুক্ত করিয়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমআর ২৬৬/২৪ নম্বর মামলা দায়ের করি। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে গত ২৮/১১/২০২৪ ইং তারিখ প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে আমার পক্ষে রায় প্রদান করিয়া, প্রতিপক্ষের যে, কোন অনুপ্রবেশ বারিতের আদেশ দিয়া, অফিসার ইনচার্জ নীলফামারী মহোদয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করে।
উক্ত বিষয়ে সকল আসামীগণ আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া উঠিয়া ঘটনার দিন অদ্য ০৪/১২/২০২৪ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১২:৩০ ঘটিকার সময় সকল আসামীগণ একই উদ্দেশ্যে, হাতে বাঁশের লাঠি লইয়া, বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া, আমার বসত বাড়ির ভিতরে বেআইনী অনুপ্রবেশ করিয়া আমার পিতা ১নং সাক্ষী মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক, পিতা- মৃতঃ ছপর উদ্দিন প্রামাণিক, সাং- চড়াইখোলা বাবরীঝাড়, (প্রামাণিক পাড়া) থানা ও জেলা নীলফামারীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। একপর্যায়ে ৪নং আসামীর হুকুমে, সকল আসামীগণ আমার পিতা ১নং সাক্ষীকে ধরিয়া টানা হেচড়া করতঃ বাড়ির ভিতর হইতে বাহির করিয়া ১নং আসামীর বসত বাড়ির ভিতরে নিয়া যাইতে ধরিলে, সেই সময় আমি আসামীগণদের বাধা নিষেধ করা মাত্রই ১নং আসামীর হুকুমে, অপরাপর সকল আসামীগণ তাহাদের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দ্বারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথাসহ আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাথারী মারপিট করিলে আমি মাটিতে ফেলাইয়া দিয়া ১নং আসামী আমার প্যান্টের বাম পকেটে থাকা রড সিমেন্ট ক্রয়ের ২,৪০,০০০/- (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা চুরি করিয়া নিয়া,
সকল আসামীগণ পুনরায় আমার পিতা ১নং সাক্ষীকে টানা হেচড়া করতঃ টানতে টানতে ১নং আসামীর বসত বাড়ির পশ্চিম দুয়ারী শয়ন ঘরের ভিতরে নিয়ে অবরুদ্ধ করতঃ জোর পূর্বক জমি জায়গা লিখিয়া চাহিলে, আমার পিতা ১নং সাক্ষী তাহাতে অস্বীকার করিয়া চিল্লাপাল্লা শুরু করিলে, ১নং আসামী অপরাপর আসামীগণের সহযোগীতায় আমার পিতা ১নং সাক্ষীর নিকট হইতে জোর পূর্বক ফাঁকা ষ্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলের শোরগোলে অপরাপর সাক্ষী ২। মোঃ সাবু কোরানী, পিতা- মোঃ সোলেমান কোরানী, ৩। মোছাঃ শাকিলা ইয়াসমিন, স্বামী- আব্দুল মালেক,
৪। মোছাঃ লায়লা বেগম, স্বামী- মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক, ৫। মোঃ বাবু, পিতা- আব্দুস সামাদ, সর্ব সাং- চড়াইখোলা বাবরীঝাড়, (প্রামাণিক পাড়া) থানা ও জেলা নীলফামারীগণ সহ প্রতিবেশী আরো অনেকে আগাইয়া আসিয়া ১নং আসামীর বসত বাড়ির পশ্চিম দুয়ারী শয়ন ঘরের ভিতর হইতে আমার পিতা ১নং সাক্ষীকে উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে আমার অবস্থা বেগতিক হইলে সাক্ষীগণের সহযোগীতায় আমি জেনারেল হাসপাতাল নীলফামারীতে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হই।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার আছিফুর রহমান তোতা
ঢাকা কার্যালয় : সেক্টর-০৫, রোড-০১, বাড়ি-৩৫ (২য় তলা), উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল : ০১৯৪৩-৬৮৩০২৭, ০১৯৪৬-৯৬২৭১৮, ই-মেইল: newsmanobadhikarprotidin@gmail.com, manobadhikarprotidin@gmail.com, ওয়েবসাইট : manobadhikarprotidin.com