প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ২, ২০২৬, ১:২৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৩, ১২:০২ এ.এম
পটুয়াখালী সহকারী পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা এর বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের অভিযোগ

স্টাফ রিপোটার:পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম কর্তৃক হয়রানির অভিযোগ এনে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর আবেদন করেছে পটুয়াখালী জেলাধীন সকল মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি)।
পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ একসময়ে ক্লিনিক ও নন-ক্লিনিক বিভাগ একসাথে মিলেমিশে কাজ করতো ক্লিনিক ও নন-ক্লিনিক বিভাগের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ছিলনা। গত ২১ এপ্রিল ২০২২ ইং তারিখে পটুয়াখালী জেলায় সহকারী পরিচালক হিসেবে মোঃ জাহাঙ্গাীর আলম যোগদান করার কিছুদিন পর ২৫ এপ্রিল ২০২২, ০৬ এপ্রিল ২০২২ইং তারিখ ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, পটুয়াখালী এর দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এলএপিএম বন্ধ করে দেন।
তিনি জেলার সকল এফপিআইদের স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী ক্যাম্পের রোগী দিতে নিষেধ করেন।
এ কারনে জেলার স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতির পারফরমেন্স কমে যায়। অযথা অকারনে কর্মকর্তাদের সাথে খারাপ আচারন, সবসময় মেডিকেল অফিসারদের বিরুদ্ধে বিষেদাগার, পাশাপাশি ক্লিনিক ও নন-ক্লিনিক বিভাজনকরা, মাঠ পর্যায়ে স্টাফদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরী, স্টাফদের সামনে মেডিকেল অফিসারদের তাচ্ছিল্য করে কথা, এছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারনে টাকা দাবী এমনটি ১১টি কারন উল্লেখ সহ জেপপ/পটুয়া/২০২৩-৮৮৫ নং স্মারক ও ৫৯.১১.১০.২৭.০৮.০৭.২০২৩-৪১৬ নং স্মারক উল্লেখ করে সচিব বরাবর আবেদন করে পটুয়াখালী জেলাধীন সকল মেডিকেল অফিসারগণ (এমসিএইচ-এফপি)। তিনি পটুয়াখালী জেলায় যোগদানের পর থেকেই পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সার্বিক কার্যক্রম অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায়। এছাড়া তিনি সরকারী জাতীয় দিবসে উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান,
সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার আছিফুর রহমান তোতা
ঢাকা কার্যালয় : সেক্টর-০৫, রোড-০১, বাড়ি-৩৫ (২য় তলা), উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল : ০১৯৪৩-৬৮৩০২৭, ০১৯৪৬-৯৬২৭১৮, ই-মেইল: newsmanobadhikarprotidin@gmail.com, manobadhikarprotidin@gmail.com, ওয়েবসাইট : manobadhikarprotidin.com
সকল স্বত্ত্ব সংরক্ষিত ©২০২৫ দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন